ক্ষোভে ফুঁসছে দেশ

0
55

 

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে হত্যার প্রতিবাদে ক্ষোভে ফুঁসছে সারা দেশ। দোষীদের সর্বোচ্চ বিচার চাইছেন ছাত্র-জনতা। রাফি হত্যার বিচার চাই, ধর্ষকের ফাঁসি চাই/ বিচার চাই, বিচার চাই।’ এরকম আরও অনেক দাবি সম্বলিত ব্যানার ঝুলিয়ে গতকাল সারা দেশে মানববন্ধন ও বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে রাজনৈতিক সংগঠন, মানবাধিকার সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। একই সঙ্গে নুসরাত হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও।

গতকাল বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, অন্যান্য ঘটনার মতো নুসরাত হত্যার বিচার যাতে ঝুলে না যায়। এর বিচার ঝুলে যেতে দেয়া হবে না। রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা, নির্যাতনকারী ও ঘটনায় ইন্ধনদাতাদের দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে বিচার করতে হবে। দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডও নিশ্চিত করতে হবে। বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশের নারীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, বিভিন্ন অফিস আদালতে যৌন নির্যাতনের স্বীকার হতে হয়। তিন সন্তানের জননী এমনকি শিশুদেরও যৌন নির্যাতন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি, যৌন নির্যাতনের জন্য কঠিন আইন করা হোক। অপরাধীরা যেন নারীদের নির্যাতন করতে ভয় পায়।

স্টাফ রিপোর্টার জানান, রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় এ কর্মসূচি শুরু হয়ে বেলা পৌনে ১২টায় শেষ হয়। রাজপথে একযোগে এ কর্মসূচি পালন করে নিরাপদ বাংলাদেশ চাই, নিরাপদ নোয়াখালী চাই, মুসলিম সাপোর্ট বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ মাইনোরিটি সংগ্রম পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, অন্যান্য ঘটনার মতো নুসরাত হত্যার বিচার যাতে ঝুলে না যায়। এর বিচার ঝুলে যেতে দেয়া হবে না। হত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে। এ সময় বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি ঢাকার সিনিয়র সেক্রেটারি জেনারেল মনোয়ার হোসেন তৌফিক বলেন, সরকার চাইলেই নুসরাতের হত্যাকারীদের বিচার করা সম্ভব। আমরা সরকারকে অনুরোধ করছি, এই হত্যার বিচার নিশ্চিত করুন।

এসময় বক্তারা আরও বলেন, নুসারাত হত্যাকান্ডে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি দিতে হবে। এ হত্যাকান্ডের মূলহোতা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল সিরাজ উদ দৌলাকে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের মাধ্যমে ফাঁসি দিতে হবে। বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের নারীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, বিভিন্ন অফিস আদালতে যৌন নির্যাতনের স্বীকার হতে হয়। তিন সন্তানের জননী এমনকি শিশুদেরও যৌন নির্যাতন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি, যৌন নির্যাতনের জন্য কঠিন আইন করা হোক। অপরাধীরা যেন নারীদের নির্যাতন করতে ভয় পায়।