লক্ষ্মীপুর শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মাদ সোলাইমানের নেতৃত্বে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার

0
547

অ আ আবীর আকাশ লক্ষ্মীপুরঃ লক্ষ্মীপুর শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মাদ সোলাইমানের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে সরকারী কর্মকর্তার ভাড়া বাসা থেকে চুরি যাওয়া ল্যাপটপ, টিভি, সোনার গয়না ও আয়রন স্বল্প সময়ের মধ্যে উদ্ধার করার পাশাপাশি চোরকেও আটক করতে সক্ষম হন।জানা গেছে, মো:মাকসুদ আলম নামের এক সরকারী কর্মকর্তা লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মাদামস্থ শাহজাহান মিয়ার বাসায় ভাড়া থাকেন। ঈদের ছুটিতে তিনি স্বপরিবারে গ্রামের বাড়ীতে গেলে শোবার ঘরের জানালা ভেঙে চোরেরা একটি ল্যাপটপ (যার মূল্য-১লাখ ১০হাজার টাকা),একটি টিভি (যার মূল্য-১০হাজার টাকা),দুইটি সোনার রিং ৬আনা করে (যার মূল্য -২৮ হাজার টাকা,) ও  একটি আয়রন (যার মূল্য-১২০০টাকা) চুরি করে নিয়ে যায়। ছুটি  শেষে মাকসুদ আলম নিজ কর্মস্থলে ফিরে দেখে তার ঘরের যাবতীয় মালামাল তচনচ। তার শৌর চিৎকারে আশপাশের মানুষজন এসে ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন।পরে মাকসুদ আলম বাদী হয়ে সদর থানায় এজহার করলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি লোকমান হোসেন  তদন্তভার দেন শহর ফাঁড়ীর ইনচার্জ মোহাম্মদ সোলাইমানকে। দায়িত্ব পেয়ে নিরলস ঘাম শ্রম দিয়ে তাঁর বিচক্ষণতা, দূরদর্শিতা ও সুদূর মনোভাবের মাধ্যমে খুব স্বল্প  সময়ের মধ্যে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করেন ও চোর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড নিবাসী আনোয়ার মিয়াকে গ্রেপ্তার করেন।জানা গেছে আনোয়ার মিয়া এলাকার একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও দাগী চোর। উদ্ধারকৃত মালামাল ও গ্রেপ্তারকৃত চোরের বিষয়ে জানতে চাইলে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ লোকমান হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন -মালামাল যথাযথ কতৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে ও চোরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য মোহাম্মদ সোলাইমান শহর পুলিশ ফাঁড়ীতে যোগদানের পর হতে পৌর শহরে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড যেমন কমে গেছে তেমনি চুরি ডাকাতি ছিনতাইও কমে গেছে। আতংকে রয়েছে গা ঢাকা দেয়া মাদক ব্যবসায়ীরা। চিহ্নিত দাগী সব রকমের অপরাধীকে তিনি আইনের আওতায় নিয়ে এসেছেন। তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্ব, বিচারিক গুণাবলী ও সুদূরপ্রসারী মনোভাবের কারনেই একদিকে অপরাধীরা যেমন ধরা পড়ছে অন্যদিকে ভালো নিরীহ মানুষেরা উপকার পাচ্ছেন।