পঞ্চগড়ে লটকোন চাষী সফলতা অর্জন ।

0
675

এ রউফ, পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা তিস্তাপাড়ায় এখন লটকোন চাষেচাষীরা সফলতা অর্জনে লাভবান হওয়ায় লটকোন চাষী লটকোনচাষে এখন আগ্রহী বেশী।দেবীগঞ্জ উপজেলার তিস্তাপাড়া গ্রামে লটকোন চাষ গাছেরগোড়া থেকে মগ ডাল পর্যন্ত শুধু ফল আর ফল। যা চোখে নাদেখলে বিশ্বাশ করা যাবে না। এপৃথিবীতে প্রকৃতি তাঁরনিপুন হাতে থরে থরে গাছের গোড়া থেকে মগ ডাল পর্যন্তসাজিয়ে রেখেছেন এসব ফল।দেবীগঞ্জ উপজেলার ছিলাহাটি ইউনিয়নের তিস্তাপাড়াগ্রামের লটকোন চাষী শ্রী গোকুল বাবু ও তার ভাতিজাশ্রী শুভঙ্কর রায় ( অরুপ) বলেন আমরা উভয়ে আমাদের নিজস্ব০৭ বিঘা জমিতে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচসহু ওই গাছেরপাশাপাশি লটকোন বাগান করেছি। এই বাগানে ৬০ টিরবেশী লটকোন গাছ রয়েছে। বিগত বছর গুলোতে লটকোনবিক্রী করে আসছেন তারা। তবে এবছর লটকোন গাছের ফল গতবছরের চেয়ে এবার লটকোন বেশী হওয়ার কারনে বেশী দামেপাইকাররা পুড়ো লটকোন বাগান তিনি ৪ লক্ষ টাকায়লটকোন বাগান ক্রয় করেছেন। লটকোন পাইকাররা স্থানীয়চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে এই সব লটকোনপাঠিয়ে দেন। লটকোন চাষী শ্রী গোকুল বাবু ও তারভাতিজা শ্রী শুভঙ্কর রায় ( অরুপ) জানিয়েছেন লটকোন চাষেঅনেক লাভ, পরিশ্রম তেমন একটা নেই। এমনিভাবেতিস্তাপাড়া গ্রামের শ্রী রাম কৃষ্ণ রায় বলেন তিনিগোকুল বাবু ও তার ভাতিজার লটকোন চাষ দেখে লটকোনগাছ লাগিয়েছেন বেশ কয়েক বছর আগে। এ বছর তাঁর ২৫
টি লটকোন গাছে পর্যাপ্ত পরিমানে লটকোন চাষ হয়েছে।স্থানীয় লটকোনের পাইকার এসে তাঁর বাগানে লটকোন দেড়লক্ষ টাকায় খরিদ করেছেন। লটকোন চাষ করে তাদের পরিবারসুন্দর ভাবে চালিয়ে নিচ্ছেন। তিস্তাপাড়ায় লটকোন বাগান দেখতে আসা বগদুলঝুলাগ্রামের মোস্তাকিন লটকো চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। অনেকে তিস্তাপাড়া লটকোন বাগান দেখতে এসে লটকোনেরচারা সংগ্রহ করে এবছরেই লটকোন লাগাবে বলেজানিয়েছেন ওই লটকোন চাষী। জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক সামছুল হক বলেন এবছরজেলায় ছোট ছোট লটকোন বাগান ৩২ হেক্টর জমিতেলটকোনের চাষ করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ লটকোন চাষীদেরসার্বক্ষনিক ভাবে পরামর্শ দিয়ে আসছেন। পঞ্চগড়েরউৎপাদিত লটকোন আকারে বড়, আকর্ষনীয় এবং রসালোহওয়ায় লটকোনের চাহিদা খুবই বেশী। স্থানীয় ভাবেচাহিদা পূরন করে দেশের বিভিন্ন জেলায় লটকোন সরবরাহকরা হচ্ছে। লটকোন চাষে কৃষকরা লাভবান হবে। আগামীতেপঞ্চগড়ে ব্যাপক লটকোন চাষের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানকৃষি বিভাগ।