একই রুমে নামাজ-পূজা!

0
70

 

 

তন্ময় ধর্মে সনাতন! আমরা একসাথে একই রুমে থেকেছি প্রায় ৪ মাস! হঠাৎ মাস খানিক পরে-দাদা নতুন প্রতিমা (মনেহয় সরস্বতি) এনেছে, আমি খেয়াল করেছিলাম না প্রথমে। ওযু করে টয়লেট থেকে বের হচ্ছি এমতাবস্থায় দেখি প্রতিমা টা। নামায পড়ে এই বিষয়ে কথা বললাম দাদার সাথে।

দাদা খুব ভালো ডিসিশন নিয়েছিলো অবশ্য! আমি যখন নামায পড়বো তখন যেন মূর্তি টা চোখে না পড়ে তেমন ব্যাবস্থা করেছিলো দাদা!!

পরে অনেক ভাবলাম প্রতিমা টা নিয়ে! বিষয়টা নিয়ে যতই ভাবতাম খুব রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা তৈরি হত! আমি যেমন টা ভাবতাম সেটায় বলছি; মনে করতাম এটা আমার কোনো আত্মীয়! এমন ভাবার পর থেকে একটা বিষয় লক্ষ্য করতাম, নামায পড়ার সময় প্রতিমা টার কথা মনে ই পড়তো না।

আমি বিশ্বাস করি, ইসলাম মানে একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যাবস্থা। যেখানে কোনো সীমা থাকবে না। সকল পরিস্থিতির জন্য সূত্র আছে!

দাদা নিয়মিত প্রার্থনা করতো, আমিও পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়তাম ঐ একই রুমের পাশাপাশি বেডে!

হোস্টেলের বাকিরা মাঝেমধ্যে অবাক হত আমাদের দেখে। বিপরীত ধর্ম, দুজনই ধার্মিক, মসজিদ- মন্দির একই রুমে ওরা একটু কনফিউজড হয়ে যেত!! কিন্তু আমরা যে একই আয়নার প্রতিচ্ছবি মাত্র।

জহিরুল ইসলাম, রুমঃ ৭০৮, মাদার হাউস ছাত্রাবাস, গ্রীনরোড ৭৮’, ফার্মগেট, ঢাকা।