সৌদি আরবের জেদ্দায় সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত মাগুরার শাহ আলমে

0
59

কাশেমুর রহমান, মাগুরা প্রতিনিধি ॥ অভাব থেকে মুক্তির আশায় ধারদেনা ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে১০মাস আগে সৌদি আরব গিযেছিলেন মাগুরার শাহ আলম। কিন্তু অভাব যেনঅধরাই থেকে গেলো তার পরিবারের। গত ৪ জুলাই (বুধবার) সৌদি আরবের জেদ্দায়সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন শাহ আলম (২৪)। নিহত শাহ আলম মাগুরা জেলারমহম্মদপুর উপজেলার দেউলি গ্রামের সায়েন উদ্দিন মোল্যা ছেলে। আহত হয়েছেমাগুরা সদর উপজেলার ভায়না দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মৃত দুদু শেখের ছেলে এলাহিশেখ। নিহত শাহ আলম ধারদেনা এবং এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সৌদিগিয়েছিলেন ১০ মাস আগে। । বিদেশ যাওয়ার আগে দিনমজুরের কাজ করত শাহআলম। স্থানীয় ইউপি সদস্য সেলিমুজ্জামান জানান, দরিদ্র দিনমজুর সায়েনউদ্দিন মোল্যার নিজের কোন জমি নাই। পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করেনঅন্যের জমিতে। পরিবারের অভাব মেটানোর জন্য ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়ে শাহআলমকে সৌদি আরব পাঠানো হয়। কিন্তু দীর্ঘ ১০ মাস প্রবাসে থাকলেওপরিবারের জন্য একটি টাকাও পাঠাতে পারেনি তিনি। সেখানে শাহ আলমনির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতেন। শাহ আলমের মৃত্যু সংবাদ গ্রামের বাড়িতেপৌছলে শোকে হতবিহবল হয়ে পড়েছেন পরিবারসহ এলাকার মানুষ। সায়েন উদ্দিনমোল্যার পরিবারের অবস্থা এমনিতেই শোচনীয়। অভাব থেকে মুক্তির আশায় ধারদেনাও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে শাহ আলমকে সৌদি পাঠানো হয়। সেই ছেলেও মারাগেলো। আকাশ নামে তার দুই বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। স্ত্রী, মা বাবা, ভাইবোনসহ আত্বীয় স্বজন এবং গ্রাম্য প্রতিবেশীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমেএসেছে। নিহতের লাশ কবে আসবে তা এখনো জানা যায় নি। নিহতের পিতা সায়েন উদ্দিন মোল্যা জানান, অনেক কষ্টে তার ছেলেকেবিদেশ পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু ছেলে মারা যাওয়ায় আগামী দিনগুলো কি হবে তাজানিনা। আহত এলাহি শেখের পরিবারের সদস্যরা জানান সৌদি আরবেচিকিসাৎধিন আছে এলাহি।এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আতিকুর রহমান নিহত শাহা আলমের পরিবারেরপ্রতি শোক ও সমবেদনা জানিয়ে বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদনপাওয়া সাপেক্ষে মরদেহ আনার বিষয়ে যথাযথ সহযোগিতার করা হবে।