বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বেড়েছে

0
371

বাংলাদেশের রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে না পারলেও আগের অর্থবছরের চেয়ে বেড়েছে। প্রবৃদ্ধির পরিমাণ ৫ দশমিক ৮১ শতাংশ। প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে চীন ও মিয়ানমার বাদে অন্যসব দেশে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে গত অর্থবছরে।

বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি পণ্য রপ্তানি হয়েছে বিশ্বের প্রথম অর্থনৈতিক শক্তি যুক্তরাষ্ট্রে।গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে ৫ হাজার ৯৮৩ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। আগের বছরের চেয়ে রপ্তানি বৃদ্ধির পরিমাণ ৩৬ মিলিয়ন ডলার বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের পর সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় এসেছে জার্মানি ও যুক্তরাজ্য থেকে। বিগত অর্থবছরে এ দুই দেশ থেকে আয় হয়েছে যথাক্রমে ৫ হাজার ৮৯০ ও ৩ হাজার ৯৮৯ মিলিয়ন ডলার।

ফ্রান্স, স্পেন, ইতালি, কানাডা, নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া ও রাশিয়ায় বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিও বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে চীন থেকে। দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু চীনে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি আয় আগের বছরের চেয়ে কমেছে।

এক সময় ভারত থেকে সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি হতো। এখন সে স্থানে রয়েছে চীন। কিন্তু চীনে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি বাড়ার বদলে কমে যাওয়া হতাশাজনক। এশীয় দেশগুলোর মধ্যে বিগত অর্থবছরে জাপানে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি হয়েছে।

গত অর্থবছরে জাপানে রপ্তানি করে বাংলাদেশ ১ হাজার ১৩২ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। এ পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে ১১৯ মিলিয়ন ডলার বেশি। বিশাল দেশ চীনে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি এর প্রায় অর্ধেক। গত অর্থবছরে চীন থেকে অর্জিত হয়েছে ৬৯৫ মিলিয়ন ডলার। ভারতে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি আয় ৮৭৩ মিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশের রপ্তানি আয় এখনো তৈরি পোশাক নির্ভর। কিন্তু এখন ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানিও বাড়ছে। রপ্তানি আয় বাড়াতে ওষুধসহ অপ্রচলিত পণ্য আমদানি বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে। ল্যাটিন আমেরিকা ও আফ্রিকার বাজারে প্রবেশের উদ্যোগও নেওয়া দরকার। বিশেষ করে চীন যাতে আরও বেশি বাংলাদেশি পণ্য আমদানি করে সে ব্যাপারে দূতিয়ালি জোরদার করার উদ্যোগ নিতে হবে।