যশোর মনিরামপুর উপজেলায় জিংক সমৃদ্ধ ধানের উপর উঠান বৈঠক

0
159

নিউজ ডেক্সঃ মানবদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধের জন্য জিংক একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে জিংকের তীব্র অভাব পরিলক্ষিত হয়। বর্তমানে দেশে ৪৫% শিশু এবং ৫৭% অপ্রসতি ও কুমারী জিংকের ঘাটতিতে ভূগছেন। বাঙ্গালির ভাত হল প্রধান খাদ্য যা মোট ক্যালরীর চাহিদার প্রায় ৭০% পূরণ করে।কিন্তু ভাত থেকে প্রাপ্ত পুষ্ঠি উপাদানের মধ্যে জিংক এর যথেষ্ঠ ঘাটতি রয়েছে। খাদ্য হিসাবে গ্রহণকৃত ভাতে জিংক এর ঘাটতির বিষয়টি উপলদ্ধি করে বাংলাদেশে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর গবেষকগণ নিরালস ভাবে গবেষনা চালিয়ে যাচ্ছে।

বাঙ্গালির প্রধান খাদ্য ভাতের মধ্যে প্রয়োজনীয় পুষ্টিমান নিশ্চিত করতে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান৬২, ব্রি ধান৬৪, ব্রি ধান৭২, ব্রি ধান৭৪ এবং ব্রি ধান৮৪ জাতগুলি উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।বঙ্গবুন্ধ শেখ মজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দুইটি জাত এবং পরামানু কৃষি গবেষণা (বিনা) থেকে একটি জাত উদ্ভাবন করেছেন।জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক জাত গুলি বানিজ্যিক ভাবে চাষাবাদের জন্য ২০১৩-২০১৮ সালে অনুমোদন দিয়েছে। অন্যদিকে দেশের সমগ্র জনগোষ্ঠীর পুষ্টি সমৃদ্ধ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানামুখী পরিকল্পণা নিয়ে এগিয়ে চলছে সরকার।

এ লক্ষ্যে অদ্য ১০ মার্চ ২০১৯ রোজ রবিবার এগ্রিকালচারাল এডভাইজরী সোসাইটি (আস) ও হারভেষ্টপ্লাস বাংলাদেশ এর যৌথ উদ্যোগে যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলায় নাদড়া, কোদলাপাড়া, দিঘীরপাড় ও খড়িঞ্চী গ্রামে কৃষক ও কৃষাণীদের নিয়ে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে ১৮০ জন কৃষক ও কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।   উপস্থিত কৃষক ও কৃষাণীদের জিংক পুষ্টির প্রয়োজনীয়তার উপর আলোচনা করেন ডঃ মোঃ হারুন-আর-রশীদ, নির্বাহী পরিচালক, আস এবং কৃষিবিদ মোঃ মজিবর রহমান, এ.আর.ডিও, হারভেষ্ট প্লাস, বাংলাদেশ, যশোর।

এগ্রিকালচারাল এডভাইজরী সোসাইটি (আস) ও হারভেষ্টপ্লাস বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগেজিংক সমৃদ্ধ ধানের উপর উঠান বৈঠক সফল বাস্তবায়নে আস এর এরিয়া কোর্ডিনেটর মোঃ সাইফুল ইসলাম ও সুব্রত কুমার ঘোষ নিরলস ভাবে কাজ করেন।