কাজের বুয়া,(খাদ্দামা)

0
71

(মেঘালয় একুশ)
ক্ষিন্ন কাপড়ে সেলাই বাধুনী,
অর্ধ ক্ষুদা অর্ধ তৃস্না দিবা তার সহিনী,
কিছুটা বাঁচতে হবে মরে গিয়েও মৌন  নহি এই যাচনী
কত নাহি শুনি শুনিতে হবে আর বাচ্চার কাঁদুনী,
কত আরাদন সপ্ন চয়ন কিভাবে হবে আর বাধুনী?
শেষে নাহি সহিতে এযাচনা সেজে গেলোম আমি অন্যর ঘড়ের রাধুনী,
আমি রাধুনী বাড়িওয়ালার বাড়িতে
কাজে গেলাম তরিতে,বাচ্চাটিকে রেখে বেলকুনিতে,
গৃহ মৌলিক আসিল হেসে, বাচ্চাটাকে যায় চলনায় ভালবেসে,
ফ্রিজ খুলিয়া দিচ্চে খাবার,
আমায় দেখাচ্ছে তার মনের উদার,
দুর্বলতায় ডেকে দিচ্চে মোরে,তৈরার খানায় নিয়ে আসছে সম্ভ্রম ভাংগিয়া করিতে চুরমার,।
অবাধ্য হলেও বাধ্যতায় মেনে নিতে হয়,
যেখানে আমার সন্তানের ক্ষুধা মুক্ত হাসি রয়,।
এ পথটা যে কত বিস্ময়কর,
জাতার পিষ্টে চিতায়ীত হয়েও তবুও থাকিতে হয় শক্ত পাথর,
কিন্তু এতে তো আর হচ্চে না,
শুধু এক বেলার পেট ভরলেই কি হবে,?
ঘড়েও যে আরো ক্ষুদার্থ আছে,,
সেই কু্ষধা নিধনে,
দুঃশ্বাহস আনিয়া মননে,। দুর্বল প্রত্যয় দুর্বাশে,পারি দিলাম আমি দুর্দেশে,
খেদ্দামার বেশে,। খেদ্দামা,আমি খেদ্দামা, কহিলো ঘড়ের বুড়ো বাপ আছে তাকে সেবার আশ্বাসে,।
কিন্তু কি দেখিলাম সেখানে গিয়ে অনায়াসে,?
বুড়ো নেই বাড়ি শূন্য,আছে কটা মুটো তোপ ওলা জগন্য,
মাথায় বেড়ি বাধানো,কুচকুচে কটা দাড়ি,
সহিহ্ মুসল্লী দেখিতে কিন্তু অশ্লীলতায় মহামারি,।
সারাদিন ক্লান্তে খেটে, যাবো যখন শুতে নিদ্রার খাটে,
তখন অদ্ভুদ অবিনবে হাজির কটা বকাটে,
ওরনায় টান,নেচে গাহি গান,
কুকর্মের মনোষ্যায় চালায় পাশবিক যনযান,
বিচার দায় করিলেও গালি খেতে হয়,
আমি নাকি তাদের কাজে করছি ব্যাবধান।
এমন জ্বালা সহিতে পোহিতে হয় দিবানিশি আমাদের গাহিয়া ব্যাথার গান,।
খেদ্দামা আসলেই এটা নর্দমা,প্রভাসের কাজ,
আমার বোনের হারানো সতিত্বের লাজ,।
বন্ধ করো প্রভাসের মোটা টাকার প্রযুক্তি,
বন্ধ করো আমার মা বোনের সওদার চুক্তি,
এই পশবিক লিলাম থেকে আমার বাংলা মাকে দাও মুক্তি,।
তোরা মুক্তি দে আমার বাংলা মাকে।।