শেষ হয়নি আজো একাত্তর

0
519

(মেঘালয় একুশ)
আমি পরিয়াছি রক্তের চাদর,
যেদিন থেকে সুনেছি এ বাংলায় এসেছিলো একাত্তর,
আমি একাত্তর দেখিনি,
কিন্তু একাত্তরকে ভুলিনী,
বর্নণায় সুনেছি,যে
কি ছিলো একাত্তরের করুন কাহিনী?
কিন্তু এখন দেখছি আজকের বাংলায়  একাত্তরের স্বশ্রদ্ধার কোন নিশানই রাখেনি,
কেননা একাত্তর প্রতি নিয়তই অপমান হচ্ছে আজকের বাংলায় যেখানে সোনার ছেলেদের চলছে তান্ডবীর দহনী।
একাত্তরের রং নাকি ছিলো লাল রক্ত,
যার শিকারের নিক্ষেপ প্রমাণ ছিলো নব কুমারীর নির্বস্ত্রের নৃত্য,
বেজা ধোয়ায় চাই হয়ে যাওয়া রাজ প্রাশাধ গুলো শ্বশানের মত,
গোলার কম্পনে দালানের ইট ফেটে বুকের গভীরে কাপুনীর আতংকীত,
যেন মনে হতো এই শেষ সর্বোষ্য।
রাস্তায় স্নান বেজা টপকানো তাজা তাজা রক্তের বণ্যা,
আর তরী হয়ে ভেসে চলা বক্ষ চিদ্রে বিদির্ন হওয়া হাজারটা অর্ধ শরীর।
এলট পাথারী হয়ে দগ্ধ লাশের দুর্গন্ধ শাড়ি শাড়ি,
সেই লাশের দুর্গন্ধ পিলখানার ড্রেইন থেকে যে আজো আমি দেখতে পারি,
আমি নিজেকে কিভাবে স্বাধীন বলতে পারি?
কিভাবে?বিনা কারণে আজ আমার ভাইয়ের বুক থেকে রক্ত ঝরা দেখে আমি একাত্তরকে আন্দাজ করতে পারছি,।
প্রতি নিয়ত স্বার্থের মিছিল তাবা কেরে নিচ্ছে আমার একেকটা ভাইকে,
বিধবা হচ্ছে আমার বোন প্রান সমাপ্তীক্ষনেও নিস্তার পাচ্ছে না এমনকি আমার বৃদ্ধ বাবা,
ও চোরের অপবাদ দেয়া চায়ের দোখানের কর্মচারী আমার চোট্র ভাই নিশ্পাপ শিশুটি।
শুনেছি একাত্তর নাকি স্বাধীনতা?
তাই আজো আমি স্বাধীনতার জন্য প্রতিদিন একাত্তরের মত নিজেকে সাজিয়ে রাখি,।
কেননা আমি যে স্বাধীন নয়।
আমি আজ ভুলে গেছি সেই রক্তের দানের কথা,
যে রক্ত নদীর খরস্রোতে  আমার ভাইয়ের বুক চিড়ে দিয়েছিলো স্বাধীনতা,।
কেননা আজো যে আমার দেশে রক্ত বইছে,।
প্রতিপত্তিরা নিজের স্বার্থের বিত্ত বহাল রাখতে গিয়ে যে কত প্রাণ কেরে নিচ্ছে,
অশ্র লালন করছে নিজের গদি দখলের তামাশায়,
আর টার্গেটের প্রতিটা বোলেট গিয়ে বিদ্ধ হচ্ছে সাধারন নিরপরাদ মানুষ গুলো ও তার পরিবারের কান্নায়,
ডেপুটেসন বহাল রাখতে গিয়ে কিনা কান্ড ঘটাচ্ছে আজ অশ্রের গোলায়,
যা আজকের দিনে সেই একাত্তরকেও হার মানায়,
কিভাবে বলবো যে এদেশ আজো আছে স্বাধীনতায়
আমি নিজেকে স্বাধীন বলবো কোন ভাষায়,
কোন আশায়?