জায়নামাজ ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে মাঠে প্রবেশ নয়

0
16

 

 

শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের ঈদের জামাত শুধু কিশোরগঞ্জের বা বাংলাদেশের নয় বরং এই উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত। আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরের জামাতটি হবে ১৯২তম ঈদের জামাত। এ উপলক্ষে সকল ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও সভাপতি, শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ কমিটি মো. সারওয়ার মুর্শিদ চৌধুরী
গতকাল রোববার দুপুরে শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শনে এসে ঈদ জামাত সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষে প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, ঈদের জামাত শুরু হবে সকাল ১০টায়। ঈদের ৩ দিন প‚র্ব থেকে কিশোরগঞ্জ শহরের উজানভাটি ও গাংচিল হোটেল ব্যতিত অন্যান্য হোটেল, স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার ছাত্রাবাস, হোস্টেল, মেস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সন্দেহজনকভাবে কাউকে চলাফেরা করতে দেখলে পুলিশ বা র‌্যাবকে জানাতে হবে। ঈদের দিন ঈদগাহ মাঠে জায়নামাজ ব্যতীত অন্য কিছু নিয়ে মাঠে প্রবেশ করা যাবে না। পুলিশের পাশাপাশি একশ’ র‌্যাব ফোর্স ও ৫ প্লাটুন বিজিবি মাঠের নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মাঠ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসানসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

অপরদিকে, যাতায়াতে ট্রেন সুবিধার পাশাপাশি মুসল্লিদের সব ধরনের সেবা নিশ্চিতের ব্যবস্থা নিচ্ছে জেলা প্রশাসন। কিশোরগঞ্জ শহরের উপকণ্ঠে নরসুন্দা নদী তীরে অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে এবার অনুষ্ঠিত হবে ১৯২তম ঈদুল ফিতরের জামাত। এতে ইমামতি করবেন বালাদেশ ইসলাহুল মুসলেমিন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৭ জুলাই ঈদুল ফিতরের দিন সকালে শোলাকিয়া ঈদগাহের কাছে পুলিশের একটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা চালায় জঙ্গিরা। এতে দুই পুলিশ সদস্য, এক এলাকাবাসী ও এক হামলাকারী নিহত হয়।