স্বস্তিতে ঢাকায় ফেরা

0
7

 

ঈদের ছুটি শেষে ঢাকামুখী মানুষের চাপ বাড়ছে। বাস, ট্রেন ও লঞ্চে ভিড়। তবে যানজটমুক্ত মহাসড়ক এবং ট্রেনের শিডিউল ঠিক থাকায় এবার স্বস্তি নিয়ে ফিরছে মানুষ। প্রায় ৯ দিনের ছুটি শেষে আজ রোববার থেকে খুলছে অফিস-আদালত। এ কারণে এক দিন হাতে রেখেই কর্মজীবীরা ঢাকায় ফিরছেন। ফিরতি পথে ঝক্কি-ঝামেলা ছাড়াই ঢাকায় পৌঁছাতে পেরে দারুণ খুশি ঢাকাফেরত মানুষেরা।

এবার দেশের প্রধান মহাসড়কগুলোতে যানজট নেই। আগে থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়ায় ফেরিজট হয়নি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া-শিমুলিয়া ঘাটে। দেশের প্রধান চারটি মহাসড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ঈদের আগেও ছিল যানজটমুক্ত। শুধু ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঈদযাত্রায় যানজট হয়েছে। তবে সেটির জন্য মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বন্ধ থাকায় ঈদের আগের দিন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৩০ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়ে হাজার হাজার যানবাহন আটকা পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ওই দিন গাড়ির চাপে বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল আদায়ের কম্পিউটার সাময়িক বিকল হয়ে পড়ায় টোল আদায় বন্ধ রাখা হয়। এতেই যানজট সৃষ্টি হয়ে হাজার হাজার মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ে সিএনএসের সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। এবার রেলের টিকিট বিক্রিতেও একই প্রতিষ্ঠানের (সিএনএস) সফটওয়্যারের কারণে অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটতে পারেনি যাত্রীরা। ট্রেনের যাত্রীদের ভোগান্তির শুরু সেই ২২ মে থেকে ঈদের অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করতে গিয়ে। এবার ঈদের অগ্রিম টিকিটে সমস্যা হওয়ায় ইতোমধ্যে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন দুঃখ প্রকাশ করেছেন। একই সাথে তিনি চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে সিএনএসকে বাদ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
সকালে কমলাপুর রেল স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি ট্রেন নির্ধারিত সময়েই স্টেশনে আসছে। তবে ঈদযাত্রার মতো উপচেপড়া ভিড় ছিল না কোনো ট্রেনেই। তবে ফিরতি ট্রেনে যাত্রীদের চাপ বাড়ছে। অনেকেই ছুটি এক দিনের বেশি নিয়েছেন। এ কারণে পুরো সপ্তাজুড়েই গ্রাম থেকে মানুষ ঢাকায় আসতে থাকবে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।