সাকিবের পারফরমেন্স নিয়ে যা বললেন মাশরাফি

0
10

 

নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে দারুণ সূচনা করে বাংলাদেশ।পরের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হারলেও দারুণ খেলেছে টাইগাররা। কিন্তু তৃতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বাজে বোলিং ও ফিল্ডিংয়ের কারণে হেরেছে বাংলাদেশ।

এই তিনটি ম্যাচেই অসাধারণ খেলেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এক সেঞ্চুরি, দুই হাফ সেঞ্চুরিসহ আসনে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি।
এবারের বিশ্বকাপের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন সাকিব আল হাসান। আগের দুই ম্যাচে ৭৫ ও ৬৪ রান করা সাকিব ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করেন ১২১ রান। সেঞ্চুরি করেন মাত্র ৯৫ বলে। তিন ম্যাচে ২৬০ রান নিয়ে এবারের বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সাকিব।
সাকিবের প্রশংসা করেছেন অধিনায়ক মাশরাফিও। গতরাতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে হারার পর সংবাদ সম্মেলনে টাইগার অধিনায়ক বলেন, সাকিব প্রথম ম্যাচ থেকেই দারুণ ছন্দে রয়েছে। তিন নম্বরে ব্যাটিং ও বোলিংয়েও অসাধারণ করছে। আশা করছি সামনের ম্যাচগুলোতেও সে ভালো করবে।

আমাদের এখনও ছয়টি ম্যাচ বাকি রয়েছে, আশা করি অন্যরাও জ্বলে উঠবে-যোগ করেন মাশরাফি।
সাকিব তিন নম্বর পজিশনে ব্যাট করে সবচেয়ে সফল। পরিসংখ্যান বলছে, তিন নম্বরে ব্যাট করে সাকিবের ব্যাট বেশি হাসে। এই পজিশনে ১৮ ম্যাচ খেলে গড়ে ৫১.৯৬ রান সাকিবের। অন্যদিকে চার নম্বরে ৩১ ম্যাচে গড় রান ৪১.৬৯। সবচেয়ে বেশি বার ৫ নম্বরে ব্যাটিং করেছেন সাকিব, সেখানে ১৩৩ ম্যাচে তার ব্যাটিং গড় ৩৫.৩৩। ৬ নম্বর পজিশনে ১৫ ম্যাচ ব্যাটিং করে গড় রান ২২.৫০। সবচেয়ে কম ৭ নম্বর পজিশনে ব্যাটিং করেছেন সাকিব। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তিন ম্যাচে ব্যাটিং করে গড়ে ২০ রান করেছিলেন তিনি।
লম্বা ক্যারিয়ারে সাকিব তিন থেকে সাত নম্বর পর্যন্ত ব্যাট করেছেন। সবচেয়ে সফল তিন নম্বরেই। এই পজিশনে ব্যাটিং করার চ্যালেঞ্জে জয়ী হয়ে সাকিব বলেছেন, ‘এটা ভিন্ন অনুভূতি। নতুন চ্যালেঞ্জ বলা যায়। আমি এখনও এই পজিশনে ব্যাটিং শিখছি বলব। এখনও বড় কোনো কিছু করে ফেলিনি। এটি মাত্রই শুরু হলো। আমি দলের হয়ে যতটুকু পারছি অবদান রাখার চেষ্টা করছি, সেটি বোলিং-ব্যাটিং যাই হোক না কেন। এটি আমার জন্য দারুণ একটি সুযোগ। আমি এখন উপভোগ করছি তিনে ব্যাটিং করে।’
বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডারের ক্রিকেট ক্যারিয়ার অপূর্ণতা ছিল বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি। শনিবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কার্ডিফে শতরানের ম্যাজিক ফিগার গড়ার মধ্য দিয়ে সেই অপূর্ণতা ঘোচালেন সাকিব।