গুরুদাসপুরে সাক্ষীর হাত-পা কেটে নিয়ে হত্যা

0
23

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় হত্যা মামলার সাক্ষী জালাল হোসেন মণ্ডলকে (৬০) হাত ও পা কেটে নিয়ে খুন করেছেন আসামিরা।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের সাবগাড়ী এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।

জালাল ওই গ্রামের আমজাদ হোসেন ওরফে আনন্দ মণ্ডলের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জালাল মোমিন মণ্ডল হত্যা মামলার ১নং আসামি। তিনি আট বছর ধরে সপরিবারে ঢাকায় বসবাস করছিলেন। জালাল অবসরপ্রাপ্ত সচিব আবদুল জব্বারের বাসায় কেয়ারটেকার হিসেবে থাকতেন।

বুধবার তিনি হত্যা মামলার হাজিরা দেয়ার জন্য বাড়ি যান। বৃহস্পতিবার সকালে যোগেন্দ্রনগর গ্রামের বাড়ি থেকে তিনি নাটোর কোর্টে যাচ্ছিলেন। পথে সাবগাড়ী বাঁধ এলাকায় আসামিরা তার পথরোধ করে। এ সময় প্রকাশ্যে রাস্তায় ফেলে জালালের বুকের ওপর বসে তার বাম হাত কেটে নেয়। ডান হাত কাটলেও তা নিয়ে যেতে পারেনি। এ সময় বাম পায়ের রোগ কেটে তাকে ফেলে রেখে চলে যায়।

জালালের চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গুরুদাসপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি মারা যান।

এলাকার আশরাফুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, সাইদুর রহমান, সাইদুর ও তার সহযোগীরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে জানান স্বজনরা।