শেরপুরে সরকারি ঘর বরাদ্দ পেয়ে খুশি অসহায় মানুষ

0
8

 

মো. সুখন, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:
শেরপুরের সব কয়টি উপজেলায় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার “জমি আছে, ঘর নেই” বিশেষ প্রকল্পের আওতায় ২৭১ অসহায় পরিবারের জন্য নির্মান করা হচ্ছে দুর্যোগ সহনীয় ঘর।
তথ্যমতে, চলতি অর্থ বছরের এপ্রিলে ২৭১টি ঘর
নির্মান কাজ শুরু হয়। প্রতিটি ঘরের প্রাকল্পিক নির্মান ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৫৩১ টাকা করে। এতে করে জেলায় মোট ৭ কোটি ৬১ হাজার ৯০১ টাকা এই প্রকল্পের আওতায় ব্যয় করা হচ্ছে। এই বরাদ্দের আওতায় শেরপুর সদরে ৬৬ টি, নকলায় ৫৫ টি, নালিতাবাড়ীতে ৪৯ টি , শ্রীবরদীতে ৫৮ টি , ঝিনাইগাতীতে ৪৩ টি ঘরের কাজ চলছে। বরাদ্দমূলে পাওয়া স্ব-স্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা ওইসব ঘর নির্মান প্রকল্প গুলো বাস্তবায়ন করছেন।
নকলা উপজেলার গণপদ্দী ইউপির বাসিন্দা অসহায় আশরাফ আলী,  শাহজাহান আলী ও কাইল্লাসহ অনেকে বলেন, ২টি থাকার কক্ষ, একটি রান্না ঘর ও একটি গোসলখানা পেয়ে আমরা সবচেয়ে বেশি সুখি মানুষ। তারা আরো বলেন, আমরা সারাদিন অন্যের বাড়িতে কাজ করে এসে এখন থেকে শেখ হাসিনার দেওয়া পাকা (হাফ বিল্ডিং) নিজের ঘরে  ঘুমাতে পারব, এর চেয়ে আর সুখ কি আছে?
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ইউপি চেয়ারম্যানের দেওয়া তালিকা মোতাবেক যার জমি আছে ঘর নেই তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণে প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ের ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দে এ কাজ হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুর রহমান জানান, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের বাস্তবায়নে এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ও উপজেলা প্রকল্প  বাস্তবায়ন অফিসের নিবিড় তত্বাবধানে ওইসব ঘর নির্মানের কাজ চলমান আছে। এখন গনপদ্দী ইউপিতে কাজ শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ইউপি’র চাহিদা ও বরাদ্দ অনুযায়ী এমন ঘর নির্মানের কাজ সম্পন্ন করা হবে। নির্মান কাজ শেষ হলে তা সুবিধাভোগীদের মাঝে হস্থান্তর করা হবে।