লালমনিরহাটে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অপরিবর্তিত

0
30

 

 

টানাবর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের তিস্তা-ধরলাসহ লালমনিরহাট জেলার সব নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক অপরিবর্তিত রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজ দোয়ানী পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ৩সেঃ মিঃ উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ফলে এখনো পানিবন্দী রয়েছে পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা, চরদহগ্রাম, হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সির্ন্দুনা, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জ উপজেলার-পশ্চিম কাশিরাম, চর বৈরাতী, নোহালী, শৈলমারী, ভোটমারী, হাজিরহাট, আমিনগঞ্জ, কাঞ্চনশ্বরও রুদ্ধেশ্বর, আদিতমারী উপজেলার চন্ডিমারী, দক্ষিন বালাপাড়া, আরাজি শালপাড়া, চরগোর্দ্ধন ও সদর উপজেলার কালমাটি, খুনিয়াগাছা, রাজপুর, তিস্তা, তাজপুর, গোকুন্ডা, মোগলহাট, বনগ্রামসহ নদীর তীরবর্তী প্রায় ২০গ্রাম প্লাবিত হয়ে রয়েছে প্রায় ৫ হাজার মানুষ। স্থানীয় প্রশাসন ত্রাণ তৎপরতা শুরু করলেও বন্যার্তরা জানিয়েছেন তা প্রয়াজনের তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল। ফলে নদী তীরবর্তী এলাকার পানিবন্দী মানুষজন পরিবার-পরিজন এবং গৃহপালিত পশু নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে তাদের। পানি নিয়ন্ত্রনে রাখতে সার্বক্ষণিক তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রেখেছে পাউবো।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)’র দোয়ানী ডালিয়া’র নির্বাহী প্রকোশীলী রবিউল ইসলাম জানান, পানি নিয়ন্ত্রনে রাখতে ব্যারাজের সবগুলো গেট খুলে দেয়া হয়েছে এবং বন্যা পরিস্থিতি মনিটরিং করা হচ্ছে।