নোবেলকে সামনে পেলে ‘থাপরাতেন’ কলকাতার শিল্পী ইমন

0
63

 

 

ভারতের জি বাংলার রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা ২০১৯’-এ অংশ নিয়ে পুরো শোজুড়েই আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশের ছেলে মাঈনুল আহসান নোবেল।শেষ পর্যন্ত তৃতীয় হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাকে। এ নিয়ে কলকাতা ও বাংলাদেশের নোবেল ভক্তদের যখন দুঃখের শেষ নেই, তখনই নতুন এক বিতর্কে জড়ালেন এ শিল্পী।

‘জাতীয় সংগীত’কে অপমান করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা হলেও কলকাতার কণ্ঠশিল্পী ইমন চক্রবর্তী যেন এবার মাত্রাটা বাড়িয়ে দিলেন। ফেসবুক পোস্টে নোবেলকে সামনে পেলে মারধরের ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন তিনি৷

ইমন চক্রবর্তী ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘সরি টু সে এবাকে সামনে পেলে চবকাতাম।’

সম্প্রতি নোবেলের জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে করা মন্তব্যের একটি ভিডিও ক্লিপ্স ভাইরাল হয়েছে। এটি প্রায় ৮ মাস আগের ভিডিও হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এটি ছড়িয়ে নোবেলকে বেকায়দায় ফেলেছে। ইমন কলকাতা তথা ভারতের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। অনুপম রায়ের ‘তুমি যাকে ভালোবাসো, স্নানের ঘরে বাষ্পে ভাসো…’ গান গেয়ে আলোচিত হন ইমন।

সঞ্চালকের সঙ্গে কথোপকথন চলাকালীন স্বভাবতই আসে রবীন্দ্রনাথের প্রসঙ্গ৷ আর তখনই নোবেল বলেন, “রবীন্দ্র নাথের লেখা জাতীয় সঙ্গীত ‘আমার সোনার বাংলা’ যতটা না দেশকে এক্সপ্লেইন করে তারচেয়ে কয়েক হাজার গুণে এক্সপ্লেইন করে প্রিন্স মাহমুদ স্যারের লেখা এই গানটা।” এমনকী এই গানটিই বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হোক, এমন দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে মিছিলও হয়েছিল বলে জানান নোবেল।

নোবেলের মন্তব্যের বিরোধিতায় সুর চড়িয়েছেন গায়িকা ইমন চক্রবর্তী৷ সাক্ষাৎকারটি দেখার পর নোবেলকে ‘চাবকাতে’ ইচ্ছা করে বলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেন তিনি।

ভারতের গণমাধ্যমকে ইমন বলেন, ‘শুধুই যে নোবেল বাংলাদেশকে অপমান করেছেন, জাতীয় সংগীতের অবমাননা করেছেন এমন নয়, বাঙালির সাংস্কৃতিক আত্ম্যাভিমানে আঘাত করেছেন। একজন শিল্পী হিসেবে আমি এর প্রতিবাদ করেছি।

পাশাপাশি ইমনের আরও দাবি, নোবেল তাঁর থেকে বয়সে অনেকটাই ছোট৷ তাই বড় দিদির মতো তাঁকে শাসন করতে চেয়েছেন।

নোবেল সারেগামাপায় বিভিন্ন ধরনের গান গেয়ে শুধু বিচারকদেরই নয়, বরং শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন তিনি।

জি বাংলার রিয়ালিটি শো ‘সা-রে-গা-মা-পা’ শেষ হয়েছে। তাতে তৃতীয় হয়েছেন প্রতিযোগী নোবেল৷ তবে তাঁর গুণমুগ্ধরা এই ফলাফলে মোটেও খুশি নন৷ অনেকের দাবি, নোবেলের সঙ্গে নাকি দুর্ব্যবহার করেছে ওই চ্যানেল কর্তৃপক্ষ৷ কৃতিদের যোগ্যতা নির্ণয়ও সঠিকভাবে হয়নি বলেই দাবি নোবেলের অনুরাগীদের।