লাখের নিচে গরু নেই

0
8

 

কোরবানির ঈদের বাকি আর মাত্র একদিন। এ উপলক্ষে পশুর হাটে কেনাবেচা নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় কাটছে ক্রেতা-বিক্রেতার। শনিবার রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে চলছে শেষমূহূর্তের কেনাবেচা। এদিন সকাল হতেই অনেকে সপরিবারে হাজির হন হাটে। ঘুরে ঘুরে দেখেন বিভিন্ন আকারের গরু। কেউ কেউ দর কষাকষি করেন, আবার কেউ সাধ্যের মধ্যে থাকা গরু খুঁজতে থাকেন। বড় গরুগুলো ইনজেকশন দিয়ে মোটাতাজা করা হয়েছে কিনা তারও খোঁজখবর নেন। কিন্তু মাঝারি আকারের গরুর প্রতি নজর ছিল বেশির ভাগ মানুষের। এবারের কোরবানির হাটে শেষ সময়য়ে কেনাবেচায় পশুর দাম নিয়ে বেশিরভাগ বিক্রেতা খুশি, ক্রেতারা নয়।

আজ দুপুরে রাজধানীর নতুনবাজর ১০০ ফিট, আফতাবনগর আর মেরাদিয়া পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে লাখের নিচে গরু নেই আর ১২ হাজারের নিচে কোনো থাসি নেই। ক্রেতা বিপুল হাসাস বলেন, ৭০ হাজার টাকা নিয়ে গরু কিনতে গিয়ে হাট থেকে ফেরত এসেছি, এই দামের গরু নেই বললেই চলে। আর ১০ হাজারে খাসি কিনতে চেয়েছলাম, এই দামে কোনো খাসি পেলাম না।

অন্যদিকে গতকাল সকাল থেকেই ক্রেতা-দর্শনার্থীর ভিড় শুরু হয় খিলগাঁও রেলগেটসংলগ্ন মৈত্রী সংঘের মাঠে অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাটে। এর পাশেই খিলগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বসেছে ছাগলের হাট। এখানে বড় আকারের বেশির ভাগ ছাগল এসেছে জামালপুরের বিভিন্ন উপজেলা থেকে। এগুলোর দাম হাঁকা হয় ১৫ থেকে ২২ হাজার টাকা করে। এরপর মৈত্রী সংঘ মাঠে গরুর হাটের প্রবেশমুখের হাসিল ঘরের সামনে দেখা গেল কিছু মানুষের জটলা। মাঝারি আকারের একটি গরু তিনজন মিলে ধরে রেখেছে। পাশে দাঁড়িয়ে ক্রেতা হাসিল জমা দিচ্ছেন। এর মধ্যেই আগতদের শুরু হয়ে যায় নানা ধরনের প্রশ্ন। অন্য ক্রেতারাও উৎসাহ নিয়েই দাম জিজ্ঞেস করেন। বিক্রেতা সিরাজ মিয়া জানালেন, ৬২ হাজার টাকায় গরুটি ছেড়েছেন তিনি। কথা হয় জামালপুরের ইসলামবাগের শহিদ নামের আরেক ব্যাপারীর সঙ্গে। এ প্রতিবেদককে তিনি জানান, একই আকারের তিনটি ষাঁড় নিয়ে আসেন তিনি। প্রতিটির দাম ধরা হয় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা করে। তবে এর মধ্যে একটি গরু ৮৪ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন।