ইসলাম ছেড়ে হিন্দু ধর্মে ফিরে গেলেন অপু বিশ্বাস

0
20

 

২০০৮ সালে ঢাকাই চলচ্চিত্রের কিং খান শাকিব খানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন অপু বিশ্বাস। তখন নিজের নাম পরিবর্তন করে রাখেন অপু ইসলাম। বিয়ের পর থেকেই তিনি নাকি প্রতি রমজানে রোজা রাখেন, নামাযও পড়েন এবং ঈদ পালন করেন। গতবছর গণমাধ্যমে এভাবেই কথাগুলো বলেছিলেন অপু বিশ্বাস।

শাকিব খানের সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে অপুর। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে ভিন্ন অভিমত জানালেন অপু। এবার তিনি গণমাধ্যমকে জানালেন, আদালতের মাধ্যমে যেভাবে ধর্মান্তর করা হয় তার বেলায় সে রকম কিছুই হয়নি। অপুর কখনও ঈদ উদযাপন করা হয়নি।

তিনি বলেন, ‘সব ধর্মের প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। তাদের সঙ্গে থাকতে গিয়ে আমি চেয়েছিলাম সারা জীবন অবশ্যই তাদের সম্মান দিয়ে যাব। যেহেতু অল্প সময়ের মধ্যে অনেক কিছু (বিয়ে-বিয়ে বিচ্ছেদ) হয়ে গেছে, তার জন্য আমাকে তো আর কাগজ কলমে তারা কিছু করেননি, সে প্রমাণও তাদের কাছে নাই।

তবে ইসলাম ধর্মের প্রতি সম্মান রয়েছে জানিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করেছিলাম (ইসলাম ধর্মের কথা), আমি এখনও করি। কিন্তু আমার বাবা-মার সঙ্গে থেকে তো আমি ওটা করতে পারি না।’

অপু বলেন, ‘সামনে আমার একটা ভালো পরিকল্পনা আছে পারিবারিকভাবে। এতদিন নিজের পরিকল্পনায় চলেছি, এবার বাড়ির কথামতো চলতে হবে। কাগজে-কলমে, মনে প্রাণে বা গরুর মাংস খেয়ে বা হজ্ব করে আমি নিজে মুসলিম হইনি। একজনকে ভালোবেসে মুসলিম ধর্মকে সম্মান দেখিয়েছি, আজও দেখাই। সব ধর্মের প্রতি আমার সম্মান ও শ্রদ্ধা আছে।’

পাশাপাশি তিনি আরও জানান, ‘আমার যখন শাকিব খানের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে তখন আমি এক ঝলক কাবিননামা দেখে পরে আর তার কোনো হদিস পাইনি। আদালতের মাধ্যমে যেভাবে ধর্মান্তর করা হয় আমার বেলায় সে রকম কিছুই হয়নি।

এই নায়িকা বলেন, ‘ঈদ এবং ইসলাম ধর্মের প্রতি আমার যথেষ্ট সম্মান রয়েছে। কিন্তু আমার কখনো ঈদ উদযাপন করা হয়নি। কোরবানি ঈদ থেকে শুরু করে কোনো ঈদে কোনোদিন কিংবা এখনও আমি গো-মাংস স্পর্শ করিনি। আমার বাসার কাজের লোকদের জন্য আমি খাসি কোরবানির ব্যবস্থা করি।’

কোরআন শিক্ষার বিষয় নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোরআন শিখেছি, এখনও জানি, আমি পড়তেও পাড়ি। কিন্তু আমার তো (ইসলাম ধর্ম পরিবর্তন) কাগজে-কলমে হয়নি।’

আব্রাম খান জয়ের ধর্ম কী-এমন প্রশ্নের জবাবে অপু বিশ্বাস বলেন, আমার ছেলে যেহেতু আমার সঙ্গে আছে সে আমার মতো করেই বড় হচ্ছে। সে তার বাবার সঙ্গে কখনও ঈদ করেনি। ভবিষ্যতের কথা তো বলতে পারব না, তবে আমার সন্তানকে নিয়ে তার বাবার আদরকে আমার কাছে ছেলে মানুষি মনে হয়। সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে আমি অনেক ভালো আছি। যখন ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম তখন তো আর জানতাম না আমার জীবনে এমন সময় আসবে। যেহেতু আমার কোনো ধর্মান্তর হয়নি, তাই আমি আমার ধর্মানুযায়ী চলছি, আব্রামও তাই এবং সেভাবেই চলতে চাই।