বাংলাদেশী কমিউনিটি এসোসিয়েশন তুলুজ ফ্রান্স কর্তৃক আয়োজিত হল বার্ষিক বনভোজন ২০১৮

0
137

This slideshow requires JavaScript.

ফ্রান্স প্রতিনিধিঃ  পিকনিক এর বাংলা অর্থ বনভোজন , ছেলেবেলায় আমাদের কাছে বনভোজন শব্দটির অর্থ ছিল একদম ভিন্ন এবং এ সম্পর্কিত বিশ্বাসও ছিল চমকপ্রদ।

আমাদের মনে একটা ধারণা ছিল যে বনভোজন মানে হল বনের মধ্যে রান্না করে ভোজন করা। করতামও তাই। মাঝে মধ্যেই পাড়ার ছেলে-মেয়েরা দল বেঁধে জঙ্গলের ভেতরে খিচুরি, ডিম, মাছ বা মাংস রান্না করে খাওয়ার আয়োজন করে থাকতাম আমরা ।

কিন্ত এখন আর সেই দিন নেই । সময়ের সাথে সাথে বদলে গেছে বনভোজনের ধরণও । এখন আমাদের দেশে বনভোজন হয়ে থাকে সাগর, পাহাড় কিংবা কোনো শিক্ষামূলক স্থান কিংবা ঐতিহাসিক স্থানে ।

দেশের সাথে সাথে দেশের বাহিরে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীরাও  শৃঙ্খলিত জীবনের শত কর্মব্যস্ততাকে দূরে ঠেলে দিয়ে আয়োজন করে থাকেন গ্রীষ্মকালীন বনভোজন ।

প্রতি বছরের মতো এবারও ফ্রান্সের পিংক সিটি নামে খ্যাত শহর তুলুজে আয়োজন করা হয় গ্রীষ্মকালীন বনভোজন ২০১৮ । এই বনভোজনের আয়োজনে ছিল বাংলাদেশী কমিউনিটি এসোসিয়েশন তুলুজ ফ্রান্স

বিপুল সংখ্যক প্রবাসীর উপস্থিতিতে বাঙ্গালীপাড়া থেকে বনভোজন জায়গায় হই হুল্লোড়-আনন্দের মাখামাখিতে রোমাঞ্চিত ছিল প্রবাসীরা। বড়দের সঙ্গে বিনোদিত হওয়ার লক্ষ্যে প্রবাসে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশী বংশভুত প্রচুর শিশু-কিশোরদের সমাগম ঘটে বনভোজনে ।

কমিউনিটি থেকে আয়োজন করা হয় নানান ধরনের বাঙালি সমাজ-সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের পরিচিতি বা দেশীয় খেলাধুলা ও বিনোদন , যার মধ্যে বাচ্ছাদের চকলেট জাম্প , মহিলাদের জন্য হাড়ি ভাঙা, পুরুষদের দৌড় প্রতিযোগিতা, বালিশ পাসিং, বস্তা দৌড়, চেয়ার রাউন্ড, দড়ি টানাটানি সহ অন্যান্য খেলাধুলা ।  এসময় বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরন করা হয় ।

এর পর প্রবাসে বেড়ে ওঠা শিশুদের জন্য দেশীয় সংস্কৃতি ও ইতিহাস ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করানোর উদ্যোগে প্রদর্শনী করা হয় বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ঐতিহাসিক নিদর্শন, দৃষ্টিনন্দন স্থান-স্থাপনা-এলাকা ও প্রত্নতত্ত্বের ।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটির সভাপতি জনাব ফখরুল আকম সেলিম, জাহাঙ্গীর হোসেন, শ্রীবাস দেব নাথ , কাওসার আহমেদ চৌধুরী সাকের, ফারুক হোসেন , তাজিমুদ্দিন খোকন , ফিরোজ আলম মামুন , জোসেফ কস্তা সহ কমিউনিটির বিশিষ্ট জনেরা ।