পর্যটক টানতে নোয়াখালীতে ১শ ৬৮ কোটি টাকার প্রকল্প

0
556

অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর:  নোয়াখালীর স্বর্ণদ্বীপ, নিঝুম দ্বীপ, হাতিয়া, ভাসানচরকে পর্যটনকেন্দ্র বানাতে চায় সরকার। সে জন্য এখানে পর্যটক টানতে সোনাপুর-চেয়ারম্যানঘাট সড়ক উন্নয়ন করা হবে। তার অংশ হিসেবে নেয়াখালীর নিঝুম দ্বীপ, হাতিয়া, ভাসানচর এবং স্বর্ণদ্বীপে পর্যটক টানতে সড়ক উন্নয়ন করা হচ্ছে। এ জন্য ‘সোনাপুর থেকে চেয়ারম্যানঘাট পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার(৭ আগষ্ট) প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এটি বাস্তবায়নে খরচ হবে ১৬৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সোনাপুর থেকে চেয়ারম্যানঘাট পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটিতে রয়েছে লক্ষ্মীপুর-চরআলেকজান্ডার-সোনাপুর সড়ক এবং সোনাপুর মান্নাননপুর-চরজব্বার-স্টিমারঘাট সড়ক। প্রস্তাবিত সড়কটি সোনাপুর থেকে শুরু হয়ে মান্নানগর-চরজব্বার হয়ে হাতিয়ার চেয়ারম্যানঘাটে শেষ হবে।

হাতিয়া বিচ্ছিন্ন দ্বীপ এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে নিঝুমদ্বীপ পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় স্থান হওয়ার কারণে প্রতি বছর প্রচুর পর্যটক এই সড়ক পথে চলাচল করেন। অন্যদিকে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার শহররক্ষা বাঁধ হওয়ার কারণে এখানেও পর্যটক আসা শুরু করেছে। জানা গেছে, প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয়ের পুরোটাই সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে যোগান দেওয়া হবে।

প্রকল্পটি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতায় সড়ক ও জনপথ অধিদফতর ২০২১ সালের ৩০ জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করবে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সোনাপুর থেকে চেয়ারম্যানঘাট পর্যন্ত সড়কের দৈর্ঘ্য ৪৩ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৫ দশমিক ৫০ মিটার। ইতোমধ্যে নোয়াখালীর সঙ্গে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের যোগাযোগব্যবস্থা সহজ করার জন্য সোনাপুর-সোনাগাজী-জোরারগঞ্জ সড়ক উন্নয়নের কাজ শেষ হওয়ার পথে। সেনাবাহিনী হাতিয়ার চর এলাকা স্বর্ণদ্বীপে ক্যান্টনমেন্ট স্থাপন করেছে।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণসহ উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। এ অবস্থায় সড়কটির প্রস্থ বাড়িয়ে ৭ দশমিক ৩০ মিটারে উন্নীত করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প প্রস্তাবটি ২০২১ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় সড়ক বাঁধ ও পেভমেন্ট (ঢালাই) প্রশস্ত ও মজবুত এবং কালভার্ট নির্মাণ করা হবে।