মিয়ানমার থেকে এলো ১১০৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ

0
8

 

কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে ১১০৩ দশমিক ১৭১ মেট্রিক টন পেঁয়াজ একদিনেই ‍আমদানি হয়েছে। সোমবার ২১টি ট্রলারে এই পেঁয়াজ এসে পৌঁছেছে। গতকাল রোববার এসেছিল ৭৯০টন পেঁয়াজ।

 

মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজগুলো টেকনাফ স্থলবন্দরে খালাস হওয়ার পর ট্রাক ভর্তি করে সেগুলো চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ আড়তে নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা। সেখান থেকে একাধিক হাত বদল হয়ে পেঁয়াজ সরবরাহ হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। তবে অভিযোগ রয়েছে, কোনও কোনও ক্ষেত্রে পেঁয়াজ গুদামজাত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।

 

সূত্র জানায়, এখনও বন্দরে এক হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ নিয়ে খালাসের অপেক্ষায় ট্রলারগুলো নোঙর করা আছে। এছাড়া মিয়ানমার থেকে আরও কয়েকশ’ মেট্রিক টন পেঁয়াজ ভর্তি একাধিক ট্রলার স্থলবন্দরের পথে রওনা দিয়েছে।

 

বন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারকরা দাবি করেন, ব্যবসায়ীরা মিয়ানমারের পেঁয়াজের দাম বাড়িয়েছেন। বাড়তি দামে পেঁয়াজ আমদানি করতে হচ্ছে। তাই দাম স্বাভাবিকভাবে আগের তুলনায় একটু বেড়েছে। তবে পেঁয়াজের দাম কমাতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।

 

টেকনাফ স্থলবন্দরের কাস্টমস সুপার আফসার উদ্দিন জানান, আজ বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে ১১০৩টন পেঁয়াজ এসেছে। ১২জন ব্যবসায়ী এসব পেঁয়াজ আমদানি করেছেন। পেঁয়াজগুলো খালাস করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়েছে।

 

বন্দরের এই কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল জব্বারের ৯৯ দশমিক ৮০০; শওকত আলম চৌধুরীর ১০৪ দশমিক ৪৫১; কামরুজ্জামানের ৯৯ দশমিক ৮০০; আব্দুস শুক্কুরের ৩৩ দশমিক ৪২০; নুর মোহাম্মদের ৩৪ দশমিক ৫০০; মোহাম্মদ মাসুমের ৯১ দশমিক ৪০০; মোহাম্মদ হাশেমের ৪১; এম. জুয়েলের ৫৯ দশমিক ৮৮০; এম.এ হাশেমের ৯৯ দশমিক ৮০০; নুরুল কায়েসের ১৯৯ দশমিক ৬০০; মিটু দাশের ৫৯ দশমিক ৮৮০ ও মোহাম্মদ সেলিমের ১৭৯ দশমিক ৬৪০ টন পেঁয়াজ এসেছে।