‘দ্রুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চায় জাপান’

0
10

 

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে মিয়ানমারে নিরাপদ পরিবেশে ফেরত পাঠাতে আন্তর্জাতিক সমর্থন খুবই প্রয়োজন। এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়নে জাপান সরকার বাংলাদেশের পাশে থাকবে। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীতে একটি অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত নাওকি ইতো।

 

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিস) মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

 

বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল পিসবিল্ডিং: ডিসকোর্সেস ফ্রম জাপান অ্যান্ড বিয়ন্ড’- শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিস ও রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক ৩২৮১। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাপানের রাষ্ট্রদূত নাওকি ইতো।

 

নাওকি ইতো তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে এক মিলিয়নের বেশি রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে আশ্রয় নিয়েছে। জাপান রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন প্রত্যাশা করে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে মিয়ানমারের নেত্রী সু কি’র আলোচনা হয়েছে।

 

নাওকি ইতো আরও বলেন, রোহিঙ্গারা নিঃসন্দেহে মিয়ানমারের নাগরিক। জীবন বাঁচাতে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে তারা। এত বড় মানসিকতার পরিচয় দেওয়ায় বাংলাদেশকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা উচিত বিশ্ব সম্প্রদায়ের।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে, যা ভুটানের জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। তবে এখানে তারা শান্তিতে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ শান্তিতে বিশ্বাস করে।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রোটারি ক্লাবের সাবেক সভাপতি এয়ার কমডোর (অব.) ইশফাক ইলাহী চৌধুরী। বক্তব্য দেন লে. জে. মঈনুল ইসলাম, বিসের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম আব্দুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাশেদ উদ জামান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এম মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।