‘ট্রাম্পের কারণেই ইউক্রেনের বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে’- ট্রুডো

0
30

 

ইরানের রাজধানী তেহরানের ইমাম খামেনি বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই ইউক্রেনের একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত হয়েছে ১৭৬ জন। ট্রাম্পের উসকে দেয়া উত্তেজনায়ই ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইউক্রেনের বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।

 

সোমবার গ্লোবাল টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন ট্রুডে।

 

কানাডার প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অঞ্চলে যদি উত্তেজনা বৃদ্ধি না পেতো তাহলে ইরানি মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত হওয়া বিমান ভূপাতিত হতো না এবং বিমানের আরোহীরা ‘এখন তাদের পরিবারের সঙ্গে’ থাকতো।

 

ইরানের কুদস বাহিনীর প্রধান লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার আগে যুক্তরাষ্ট্র তাদের কিছু জানায়নি বলেও উল্লেখ করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। ট্রুডো বলেন, তিনি ‘নিশ্চিতভাবেই’ এমনটা জানতে পারলে খুশি হতেন।

 

জাস্টিন ট্রুডো আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সিদ্ধান্ত নেয়। আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অংশ হিসেবে বড় ইস্যু নিয়ে আলোচনার চেষ্টা করি। কিন্তু কিছু দেশ তাদের মিত্রদের না জানিয়েই পদক্ষেপ নেয়।

 

গত ৮ জানুয়ারি তেহরানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর বিধ্বস্ত হয় ইউক্রেন ইন্টারন্যাশনালের একটি বিমান। ১৭৬ জন আরোহী থাকা ওই বিমানটিতে ৫৭ জন কানাডীয় ছিলেন।

 

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানের সবচেয়ে প্রভাবশালী জেনারেল কাসেম সোলেইমানি নিহত হন। এরপর থেকেই ইরান-মার্কিন উত্তেজনা নতুন উচ্চতায় চলে যায়। জবাবে ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পরে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের একটি ইউনিট ভুলবশত গুলি করে ইউক্রেনের যাত্রীবাহী বিমানটি গুলি করে বিধ্বস্ত করলে এ ঘটনা ঘটে।

 

ইরান শুরু থেকেই ওই বিমানটি ভূপাতিত হওয়ার সঙ্গে তাদের সম্পর্ক নেই বলে দাবি করে। কিন্তু পরে দেশটি জানায়, ‘অনিচ্ছাকৃত ভুলে’ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছিল।