ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়নি

0
39

ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ মার্কেটিং পরিচালক কালীকান্ত ঘোষ। আগামীকাল শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে কলকাতার উদ্দেশ্যে ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

কালীকান্ত ঘোষ বলেন, ট্রেন বন্ধ হবে না। সে দেশে আমাদের অনেক লোক আছে, তাদের ফেরত আনার জন্যই ট্রেন বন্ধ করা যাবে না। প্রতিদিন ট্রেন চলবে, ভারত ইমিগ্রেশন পাস দিলে প্রবেশ করা যাবে। এখনও ইমিগ্রেশনের ব্যাপারে ভারত স্পষ্ট কিছু জানায়নি।

তিনি জানান, আজকেও ১৪৪ জন যাত্রী নিয়ে কলকাতা পৌঁছেছে মৈত্রী এক্সপ্রেস এবং সে দেশ থেকে ৩১২ জন এসেছেন। এখন পর্যন্ত যেহেতু ট্রেন বাতিল হয়নি, সুতরাং আগে থেকে যারা টিকিট কেটে রেখেছে তাদের জন্য ট্রেন চালাবো। যদি কেউ যেতে না চায়, তাহলে টিকিট ফেরত দিতে পারবে। সেক্ষেত্রে তাদের রেলের নিয়ম অনুযায়ী টাকা কেটে রেখে বাকি টাকা ফেরত দেয়া হবে। যখন বাতিলের সিদ্ধান্ত হবে তখন টিকিট জমা দিলেই যাত্রীরা টিকিটের পুরো টাকাই ফেরত পাবেন। এ ব্যাপারে যাত্রীদের ভুলবুঝাবুঝি না করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করার আহ্বান জানান বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ মার্কেটিং পরিচালক কালীকান্ত ঘোষ।

এর আগে, শুক্রবার সকালে নির্ধারিত সময়ে ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে স্টেশনে থেকে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন না ছাড়ায় বিপাকে পড়েন টিকেট নেয়া যাত্রীরা। এসময় টাকা ফেরত না পেয়ে বাকবিতণ্ডাতে জড়ান তারা।

এদিকে, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে আগামী এক মাসের জন্য দেশের স্থলবন্দরগুলো দিয়ে ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়। তবে এদিন সকাল থেকেই বন্ধ ছিলো আখাউড়া স্থলবন্দর। বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন থেকে ভারতে যাবার ছাড়পত্র পেলেও ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাদের ঢুকতে দেয়নি। এতে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। তবে শুক্রবার বিকেলে শুধু মেডিকেল ভিসাধারীদের ভারতে প্রবেশের সুযোগ দেয়া হয়। একইদিন সকাল থেকেই বেনাপোল বন্দরে উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে ভারতগামী যাত্রীদের।

একইচিত্র ছিলো চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থল বন্দরেও। আগামী একমাসের জন্য ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারির খবরে অনেকেই তড়িঘড়ি করে পশ্চিমবঙ্গে যান। করোনা প্রতিরোধে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরেও শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে একমাসের জন্য ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তবে সবকটি বন্দরেই পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল স্বাভাবিক আছে।

অন্যদিকে, শেষ দিন হওয়ায় তড়িঘড়ি করে অনেকেই বিমানের টিকিট সংগ্রহ করে ছুটছেন ভারতে।