পিপিইর পরিবর্তে ময়লা ফেলার পলিথিন দিয়ে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন ব্রিটিশ স্বাস্থ্যকর্মীরা।

0
36

করোনাভাইরাসের কারণে প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আর এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ অবস্থায় যুক্তরাজ্যের চিকৎসকরা তাদের পারসোনাল প্রটেকটিভ ইক্যুইপমেন্ট (পিপিই) চরম সঙ্কটে রয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে পিপিইর পরিবর্তে ময়লা ফেলার পলিথিন, প্লাস্টিকের অ্যাপ্রোন ও স্কিইং করার চশমা পরে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন ব্রিটিশ স্বাস্থ্যকর্মীরা।

যুক্তরাজ্যের চিকিৎসকরা বাধ্য হয়ে বিভিন্ন ধরনের পলিথিন শরীরে পেঁচিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

পিপিইর চাহিদার তুলনায় কম থাকায় চিকিৎসকরা পলিথিন পরেই করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন। রোগীর চাপ সামলাতে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের সংখ্যা (আইসিইউ) বাড়াচ্ছে ব্রিটিশ সরকার। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব থাকায় নিজেদের বাঁচাতেই এ উদ্যোগ নিয়েছেন চিকিৎসক-নার্সরা।

চিকিৎসকদের এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সামনে কথা বলতে নিষেধ করেছে কর্তূপক্ষ। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে দেশটির এক চিকিৎসক জানান, তিনি যে হাসপাতালে কাজ করেন সেটির আইসিইউ কোভিড-১৯ রোগীতে পরিপূর্ণ। কিন্তু সেখানে স্বাস্থ্যকর্মী, রোগীর বিছানা, সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিক ও ভেন্টিলেটরের অভাব আছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়,  যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাস ১৪-১৫ এপ্রিলের মধ্যে বড় আঘাত হানবে। বিশ্লেষকদের ভাষায় যেটাকে বলা হচ্ছে ‘পিক টাইম’।

এক চিকিৎসক আরও জানিয়েছেন, মারাত্মক প্রভাব পড়তে চিকিৎসকদের জীবনে। চিকিৎসকরা এখন ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ছেন। নিজেদের পিপিই নিজেরাই তৈরি করছেন। এটা প্রচণ্ড রকমের ঝুঁকিপূর্ণ। তাই কর্মীরা ডাস্টবিনের ব্যাগ ও অ্যাপ্রোন পরে কাজ চালিয়ে নিচ্ছেন।

যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা সংস্থা পহেলা এপ্রিল ১০ লাখ মাস্ক বিতরণ করেছে বলে জানিয়েছে এনএইচএস। তবে সেখানে মাথার সুরক্ষা ও গাউনের কথা বলা হয়নি।