আরকাইভস দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সমৃদ্ধশালী কেন্দ্রীয় সংরক্ষণাগার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে- প্রধানমন্ত্রী

0
618

প্রভাতের ডাক ডেস্ক নিউজঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘আন্তর্জাতিক আরকাইভস দিবস ’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে জাতীয় আরকাইভস খুব শিগগিরই দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সমৃদ্ধশালী কেন্দ্রীয় সংরক্ষণাগার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে প্রত্যাশা ব্যাক্ত করেছেন।আগামীকাল ৯ জুন আন্তর্জাতিক আরকাইভস দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এদিন আন্তর্জাতিক আরকাইভস দিবস পালন করা হবে।আজকের সৃষ্ট নথিপত্রই আগামী দিনের ঐতিহাসিক দলিল তথা মূল্যবান আরকাইভাল উপকরণ বলে বিবেচিত হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরকাইভস সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে কর্তৃপক্ষের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন,  উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে ‘রোল মডেল’। সম্প্রতি বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশের ক্যাটেগরিতে উন্নীত হয়েছে। এ স্বীকৃতি বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা আরো বৃদ্ধি করেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। গত সাড়ে ৯ বছরে বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, সংস্কৃতি, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, কৃষি, স্বাস্থ্য, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জন করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির কেন্দ্রীয় সংরক্ষণাগার বাংলাদেশ জাতীয় আরকাইভস। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির উপাত্তসমূহ সংরক্ষণ করা হয় জাতীয় আরকাইভসে। বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস চর্চা, শিক্ষা ও গবেষণা, রেফারেন্স ইত্যাদি ক্ষেত্রে জাতীয় আরকাইভসের গুরুত্ব অপরিসীম।দীর্ঘ ২১ বছর পর জনগণের ভোটে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে । দেশে সত্যিকারের গণতন্ত্র ফিরে আসে এবং  মানুষের নিজস্ব ইতহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি চর্চার বন্ধ দুয়ার উন্মোচিত হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন,  তখন ঢাকার আগারগাঁওয়ে জাতীয় আরকাইভস ভবন নির্মাণ করা হয়।প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে ২০২১ সালের আগেই মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করবেন প্রত্যাশা করে  আন্তর্জাতিক আরকাইভস দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here