দেশীয় মাছের কেনাবেচায় রমরমা আরিচা ঘাটের মৎস্য আড়ত

0
6

মানিকগঞ্জের আরিচা ঘাটের ঐতিহ্যবাহী মৎস্য আড়তে দেশীয় মাছের বেচাকেনায় সরগরম। নদী ও মুক্ত জলাশয়ে পানি কমে আসায় জেলেদের জালে ধরা পড়ছে বড় বড় মাছ। দাম ও ব্যবসা ভালো থাকায় খুশি মৎস্য শিকারি ও ব্যবসায়ীরা।

আলো ফুটার সঙ্গে সঙ্গে মানিকগঞ্জের ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী আরিচা ঘাটের মৎস্য আড়তটি মৎস্য শিকারি ও পাইকাদের পদচারণায় বেচাকেনা জমজমাট হয়ে উঠে।

পদ্ম-যমুনা, ইছামতিসহ মুক্ত জলাশয়ের বড় বড় পাঙ্গাশ, বাগাইড়, কার্পও, গাইরা, ইলিশ, আইড়, শোলসহ নানা টাটকা ও সুস্বাদু মাছ বেচাকেনায় মুখোর আড়তটি। নদীতে পানি কমে আসায় বেশি বেশি বড় বড় মাছ পাওয়াসহ দাম ভালো থাকায় খুশি মৎস্যশিকারি ও পাইকাররা।

রোববার (১৬ নভেম্বর) ভোরে বাজারে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি কেজি কার্প ১৮০-২০০ টাকা, পাঙ্গাশ ৮০০-৯০০ টাকা, গাইরা ৪০০-৪২০ টাকা, ইলিশ ৯০০-৯৫০ টাকা, বড় আইড় ৮০০-৯০০ টাকা, ছোট আইড় ৩০০-৪০০ টাকা, শোল ৩০০-৩৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।

দীর্ঘ দিনের পুরনো ও বছরের পর বছর পাইকার ও মৎস্য শিকার সংখ্যা বাড়লেও নদীভাঙনে কমে আসছে আড়তের জায়গা। এ ছাড়া ঋণসহ নানা সমস্যা কথা জানিয়েছেন আড়ত কমিটির নেতা আবদুল রাজ্জাক।

মানিকগঞ্জের আরিচা মৎস্য আড়তটিতে প্রতিদিন অর্ধশতাধিক আড়তদারদের মাধ্যমে জেলাসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানের দুই শতাধিক পাইকারদের সরগরমে অর্ধকোটি টাকার পদ্মা-যমুনা, ইছামতিসহ মুক্ত জলাশয়ের দেশীয় মাছ বেচাকেনা হয়।