বাঁধা কপিতে স্বপ্ন পুরণের লক্ষ কৃষকের

0
420

আব্দুলাহ আল মামুন,ঝিনাইদহ॥ আগাম শীতকালীন বাঁধা কপিতে কৃষকের স্বপ্ন পুরনের লক্ষ বাস্তবায়ন হচ্ছে কৃষকদের। সবজি ফসল চাষে সব সময়ই একধাপ এগিয়ে থাকেঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার সবজি চাষীরা। সে কথা মাথায়রেখেই শীতকালের জন্য বসে না থেকে ব্যস্ত সময় পার করছেন গ্রীষ্মকালীনবাঁধাকপির পরিচর্যায়।

অসময়ের ফসল হবার কারনে বাজার মূল্য বেশি।তাই চাষী ভাইয়েরা এখান দিনদিন আগ্রহী হচ্ছেন আগাম এই সবজিচাষে।হরিণাকুন্ডু পারমথুরাপুর সিআইজির সদস্য মোঃ রুহুল আমিন, আব্দুলজলিল, ফজলুর রহমান ও মোঃ রমজান আলী এবং কন্যাদহ বকের জালাল উদ্দিন এরগ্রীষ্মকালীন বাঁধাকপি এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। কৃষি বিভাগথেকেও তাঁরা পাচ্ছে প্রয়োজনীয় কারিগরী পরামর্শ। সব মিলিয়ে তাঁরাএবার আর্থিক সফলতার মুখ দেখতে যাচ্ছেন বলে আশা করছেন কৃষকেরা।মোঃ রুহুল আমিন, আব্দুল জলিল ও ফজলুর রহমান জানান কৃষি বিভাগেরপরামর্র্শে ট্রপিক সান জাতের আগাম শীতকালীন সবজিগ্রীষ্মকালীনে চাষ করেন। এখন পর্যন্ত ক্ষেতে ভালো বাঁধাকপিদেখাযাচ্ছে।

তবে এসব সবজি বাজারে নেবার আগে যদি অতিরিক্ত বৃষ্টিএবং কোন ভাইরাস না লাগে তহলে বাজার মূল্য ভালো পাওয়া যাবে। এইবাঁধাকপি ওঠার পর ৬০দিন পর আবার শীতকালী সবজি চাষ করা যাবে।হরিণাকুন্ডু কৃষি অফিসার আরশাদ আলী চৌধরী জানান, গত বছরহরিণাকুন্ডু উপজেলায় অল্প জমিতে আবাদ ছিল তবে এ বছর প্রায় ২৫ হেক্টরজমিতে গ্রীষ্মকালীন বাঁধাকপির আবাদ করা হয়েছে। ট্রপিক সানজাতের গ্রীষ্মকালীন বাঁধাকপির প্রতি ৩৩ শতকে ৬০০০ হাজার চারালাগানো হয়েছে।

এটি রোপনের ৬০ দিনের পর ফসল সংগ্রহ করা হয়ে থাকে।প্রতিটির গড় ওজন ৬০০ গ্রাম ধরলে এক বিঘায় ৩৬০০ কেজি উৎপাদনেরআশা করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। প্রতি কেজির মূল্য ২৫ টাকা হারেপ্রায় ৯০,০০০ টাকা স্থানীয় বাজারমূল্য পাওয়ার আশা করছেন কৃষকরা।