প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতা হারানোর ভয়ে কাণ্ডজ্ঞান শূণ্য হয়ে পড়েছেন-রিজভী

0
141

ঢাকা প্রতিনিধিঃ   আজ মঙ্গলবার ( ২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘২৯ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুর ২টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের জনসভা সফল করার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, কর্তৃপক্ষের অবহেলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতা হারানোর ভয়ে কাণ্ডজ্ঞান শূণ্য হয়ে পড়েছেন। তার সামনে পেছনে ডানে বায়ে যারা ঘিরে আছে তিনি তাদের দিকে তাকান না। শুধু তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোতে ব্যস্ত থাকেন। ক্ষমতাসীন হওয়ার পরে একতন্ত্র নায়েক কায়েম করার জন্যই তিনি বেহুশ হয়ে গণতন্ত্র ও নির্বাচন প্রক্রিয়া সন্ত্রাসের বেড়াজাল দিয়ে ঘিরে রাখতেই স্বৈরাচার হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বজোড়া নাম ডাক হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে জাতি জানত চায় বিগত ১০ বছরের ব্যাংক বীমা লুটের টাকা গেলো কোথায়? শেয়ার বাজার লুটের টাকা গেলো কোথায়? কানাডাতে বেগম পল্লী এবং মালয়েশিয়াতে সেকেন্ডহোম তৈরি করছে কারা।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ খালেদা জিয়াকে সুচিকিৎসা পাওয়া থেকে বঞ্চিত করেছে। বিশেষায়িত হাসপাতালের চিকিৎসা পাওয়া থেকে এবং ব্যক্তিগত চিকিৎসকের চিকিৎসা পাওয়া থেকে বঞ্চিত করেছে। দল এবং পরিবারের দাবিকেও বার বার অগ্রাহ্য করা হয়েছে।’

রিজভী আরও বলেন, ‘সরকারি চিকিৎসকের মতে বেগম জিয়া গুরুতর অসুস্থ নয় বলে আখ্যা দেওয়ার পর আবারও কেনো বিশেষায়িত কোনো হাসপাতালে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন এটা একটা প্রশ্নের বিষয়।’

‘কর্তৃপক্ষের অবহেলা, হয়রানি, অস্বাস্থ্যকর স্যাঁতসেঁতে বদ্ধ পরিবেশের মধ্যে তাঁকে দিনযাপন করতে হচ্ছে, যা একটি চরম নির্যাতন। এই নির্যাতন সহ্য করতে গিয়ে তাঁর আগের অসুস্থতা এখন আরো গুরুতর রূপ ধারণ করেছে। তাঁকে সুচিকিৎসা হতে বঞ্চিত করেছে,’ যোগ করেন বিএনপির এই নেতা।

তিনি বলেন, ‘আইন হচ্ছে যাকে আসামি করা হয় তার সামনে বিচারিক কার্যক্রম করা হবে। কিন্তু বেগম জিয়ার অনুপস্থিতিতেই বিচারিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।’