তারেক রহমানেরও সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড হওয়া উচিত ছিল-আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

0
89

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। তবে এ ঘটনার মূল হোতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানেরও সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড হওয়া উচিত ছিল। একুশে আগস্টের ভয়াবাহ গ্রেনেড হামলার মামলার রায় ঘোষণার পর আজ বুধবার সচিবালয়ে রায়ের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সাংবাদিকদের আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন। আনিসুল হক বলেন, ‘১৪ বছর পর এ মামলায় বিচার শেষ হয়েছে। রায়ে আমরা খুশি হয়েছি। আমরা মনে করি এ ঘটনার মূল নায়ক তারেক রহমান। তাই রায়ে তারেকের মৃত্যুদন্ড হওয়া উচিত ছিল। কারণ, তিনি ষড়যন্ত্রের মূল হোতা।

রায়ের বিষয়ে আপিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রায়ের কাগজপত্র পাওয়ার পর আমরা চিন্তা-ভাবনা করবো, তারেক রহমানকে এবং আরও দু’জন কায়কোবাদ এবং হারিছ চৌধুরীকে যে যাবজ্জীবন দেয়া হয়েছে, সেটার জন্য আমরা উচ্চ আদালতে গিয়ে ফাঁসির জন্য আপিল করবো কি-না। আইনমন্ত্রী বলেন, যতটুকু জেনেছি, এ ঘটনায় ৫২ জন আসামির মধ্যে তিন জনের অন্য মামলায় মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয়েছে। ৪৯ জনের মধ্যে ১৯ জনকে মৃত্যুদন্ড ও ১৯ জনকে যাবজ্জীবন দেয়া হয়েছে। অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, হামলার মূল নায়ক তারেক রহমান। বাংলাদেশের মাটি থেকে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে নির্মূল করার পরিকলল্পনার মূল নায়ক। আনিসুল হক বলেন, বিএনপি আমলে আইনের শাসন ছিল না। তাই এ মামলার কোনো বিচার হয়নি। শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার পর যে সব রায় বন্ধ ছিল সেগুলোর বিচার শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তিনি বলেন, বিএনপি কোনোদিন আইনের শাসনের ধারাবাহিকতা মানে না। জিয়াউর রহমান হত্যারও বিচার হয় নাই। কিন্তু শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছি। স্বধীন বিচার বিভাগ সব হত্যা মামলার রায় দিচ্ছেন।

১৪ বছর আগে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা মামলার আজ রায় দেয়া হয়। ভয়াবহ এই গ্রেনেড হামলায় শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান। হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী  বেগম আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন দলের কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী।