পানছড়ি অরণ্য কুঠিরে ক্লাসমেট ফাউন্ডেশন এর ৬ষ্ঠ বার্ষিক পুনর্মিলনী ও পূণ্যানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত।

0
294

মিঠুন সাহা,খাগড়াছড়ি, পানছড়ি প্রতিনিধিঃ  গতকাল ১২/১০/১৮ ইং রোজ শুক্রবার সকাল সাড়ে পাঁচটায় শ্রদ্ধেয় ভিক্ষু সংঘকে প্রাতঃ পিন্ডদানের মধ্য দিয়ে ক্লাসমেট ফাউন্ডেশন অব ভেনারেবল শাসন রক্ষিত এর উপদেষ্টা মৈত্রীলাভী শ্রদ্ধেয় ভদন্ত শাসন রক্ষিত মহাস্থবির মহোদয় ও স্বধর্ম বন্ধু সদস্যদের ৬ষ্ঠ বার্ষিক পুনর্মিলনী ও পূণ্যানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৯ টার দিকে প্রথম পর্বের উদ্ভোদনী অনুষ্ঠানে অনুপ দত্ত তালুকদারের সঞ্চালনায় গান পরিবেশন করেন স্রষ্টা তালুকদার।

শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং প্রার্থনা বাণী পাঠ করেন এই ফাউন্ডেশনের সভাপতি মিস বীথিকা চাকমা। এতে উপস্থিত থেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফাউন্ডেশনের সহঃসভাপতি বাবু সুজেশ চাকমা।আরো বক্তব্য রাখেন জেলা শিক্ষা অফিসার সাধন কুমার চাকমা,জেলা পরিষদের সম্মানিত সদস্য বাবু সতীশ চন্দ্র চাকমা।আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিহার ও কুঠির থেকে শ্রদ্ধেয় ভিক্ষু সংঘ, সরকারি বেসরকারী কর্মকর্তা ও শিক্ষাবিদ,সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তিবর্গ।

আমন্ত্রিত অতিথিগনের বক্তব্য শেষে পঞ্চশীল গ্রহন পূর্বক সন্মিলিতভাবে বুদ্ধ মুর্তি, সংঘ, অষ্ট পরিষ্কার দান হাজার বাতি,প্রানীসহ নানাবিধ দানকার্য্য সম্পন্ন করা হয়। অতপর অনুষ্ঠানের মধ্য মনি সর্ব জন শ্রদ্ধেয় শাসন রক্ষিত মহোদয়ের অমৃতময় ধর্মীয় দেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের ১ম পর্ব সমাপ্ত করা হয়। সহপাঠী পূনর্মিলনী ও পূন্যানুষ্ঠানের ২য় পর্বের বিবরনীঃ বেলা ১টা ৫০ ঘটিকায় শ্রদ্ধেয় শাসন রক্ষিত মহাস্হবির ভান্তে মহোদয় মঞ্চে আসন গ্রহনের সাথে সাথে শুরু হয় ২য় পর্বের আনুষ্ঠানিকতা। শুরুতে সহপাঠীদের উদ্দেশ্যে স্বরচিত একটি কবিতা পাঠ করে শোনান বাবু সুজেশ চাকমা।

অতপর চলে স্মৃতিচারন মূলক অনুভূতি প্রকাশের পালা। এ পর্ব শেষ হলে অনুষ্ঠান বাস্তবায়নের সার্বিক বিষয়ের উপর বক্তব্য রাখেন উদযাপন কমিটির সন্মানীত আহ্বায়ক বাবু হেম রঞ্জন চাকমা। বক্তব্য প্রদান শেষে পঞ্চশীল গ্রহন পূর্বক শ্রদ্ধেয় ভান্তের একক সধর্ম দেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে। এই ক্লাসমেট ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে সম্পর্কে সংগঠনের সহঃ সভাপতি সুজেশ চাকমা  জানানঃ ২০১৩ সালে এই ফাউন্ডেশনের যাত্রা শুরু হয়।

এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সমাজের গরীব দুঃখীদের মাঝে সহযোগীতা করা,গরিব ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখায় সহায়তা করা,একটা ভ্রাতৃত্ববোধের সৃষ্টি করা।এককথায় সকল শ্রেণির মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করাই আমাদের মূল্য লক্ষ্য।আমরা প্রতি বছর সবাই একত্রিত হয় এই পবিত্রম স্থানে।