লুঙ্গি পরে অফিস করেন গোপালগঞ্জে জেলারেজিস্ট্রার ! রয়েছে নানামুর্খি দূর্নীতি!

0
502

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জের জেলা রেজিস্ট্রারেরদুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতায় সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস গুলোরকার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জমি-জমা রেজিস্ট্রিশনসংক্রান্ত বিষয়ে অধঃস্তন কর্মকর্তাদের উপর চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে অনৈতিক কাজ করিয়ে টাকা আদায়ে বাধ্য করা হচ্ছে। ধার্য করেদেওয়া হয়েছে মাসোহারা। দলিল প্রতি পারসেনটেজ নেওয়া হচ্ছে।অফিস ভিজিটের নামে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। সে সবকর্মকর্তা জেলা রেজিস্ট্রারের অন্যায় দাবী মানছেন না তাদেরকেবিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি করা হচ্ছে। এতে সাব-রেজিস্ট্রিঅফিসগুলোতে কর্ম পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট অফিসেরকর্মকর্তারা রুটিন মাফিক কাজ চালাতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছেন।কর্মস্পৃহা ও উদ্যোম হারিয়ে ফেলছেন। জনগনের হয়রানি বেড়েগেছে। অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারন মানুষের মধ্যেঅসন্তোষ বিরাজ করছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে অচলাবস্থার সৃষ্টি হতে পারে বলে আশংকা করছেন ভুক্তভোগিসহসাধারন মানুষ।জেলা রেজিষ্ট্রি অফিসের বিশ্বাসযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে,গত জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে জেলা রেজিষ্ট্রার হিসাবেগাজী আবু হানিফ গোপালগঞ্জে যোগদান করেন। এরপর থেকেই তারদূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা প্রকাশ্যে রুপ নেয়। জেলা পাঁচটিউপজেলার পাঁচটি সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস থেকে প্রতিমাসে তিনিপ্রায় এক লক্ষ টাকা মাসোহারা নেন। এছাড়া দলিল প্রতি এক’শটাকা করে কমিশন গ্রহন করেন। প্রতিমাসে জেলায় গড়ে প্রায় ৫-৭হাজার দলিল সম্পাদন হয়। দলিল থেকে কমিশন বাবদ প্রতি মাসেতিনি প্রায় ৬০-৭০ হাজার টাকা আদায় করেন। অফিস পরিদর্শনেরনামে উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে গেলে তাকে সম্মানীহিসাবে ন্যুনতম এক লক্ষ না দিলে তিনি ক্ষুদ্ধ হন এবং ফাঁক ফোকড়