ভালুকায় প্রচন্ড তাপদাহে প্রোল্টির খামারে মুরগির মরণ।

0
539

ময়মনসিংহ ভালুকা,প্রতিনিধিঃ

ভালুকায় প্রচন্ড তাপদাহে প্রোল্টির খামারে মুরগির মরণ ও রোগে আক্রান্ত। সারা দেশে প্রচণ্ড গরম পড়েছে। প্রায় সব খামারেই হিটস্ট্রোকে মারা যাচ্ছে মোরগ-মুরগি।গরমের সময় মোরগ-মুরগি চারপাশের তাপের কারণে তার দেহ থেকে তাপ বের করতে পারে না বলে শ্বাসকষ্ট হয় এবং হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়। একসময় এই মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায় বলে মোরগ-মুরগি হিটস্ট্রোকে মারা যাচ্ছে প্রত্যেক খামারে। ভালুকা উপজেলার প্রত্যেক ইউনিয়নে গ্রামেই রয়েছে প্রোল্টি খামার উলেক্ষ্য যোগ্য, মল্লিক বাড়ী, ডাকাতিয়া কাচিনা, বাটাজোর, হবিরবাড়ী, রাজ্যই, মেদিলা, ভরাডোবা, মেদুয়ারী, বিরুনিয়া, এবং ভায়াবহ, নয়নপুর, চানপুর, সোনাখালি, আংগারগারা, পাচঁগাও এবং প্রায় প্রত্যেক গ্রামেই রয়েছে প্রোল্টি খামার। সরেজমিনে রবিবার ভালুকার কয়েকটি গ্রামের প্রোল্টি ফার্ম ঘুরে দেখা যায় যে খামারিরা হতাশার মধ্যে দিন পার করছে এক দিকে বাজারে ডিমের দাম কম অন্য দিকে গরমে হিটস্ট্রোকে মারা যাচ্ছে মোরগ-মুরগি। সে রকম এক খামার পরিদর্শন কালে কথা হয়, ভায়াবহ গ্রামের মো: ইমতিয়াজ আহমেদ নামের এক প্রোল্টি খামারি ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে জানাযায় তিনি সৌদি আরবে ও দীর্ঘ দিন প্রবাসী জীবন কাটানোর পর দেশে এসে ৭০লাখ টাকা ব্যয়ে বাকি/নগতে ৬০ ফুট দুটি,ও ১২০ ফুট ঘর নির্মাণ করে শুরু করেন এই লেয়ার প্রোল্টি ব্যবসা। বর্তমানে তার মুরগির সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার, তার মধ্য বিগত কয়েক দিনের গরমে ও রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় ১ হাজার ডিম দেয়া লেয়ার মুরগি মারা যায়। তিনি আরো জানান বর্তমানে ডিমের বাজার একে বারেই কম তাছারা গরমে মুরগি প্রায়ই মারা যাচ্ছে। আমার প্রোল্টিতে চারজন শ্রমিকের বেতন, কারেন্ট বিল,জেনারেটর খরচ সহ প্রতি মাসে প্রায়ই লোকসান গুনতে হচ্ছে। সে রকম আরো কয়েকটি খামারের চিত্র একই। নয়নপুরের পবিত্র সরকার জানান গ্রামে এক সময় অনেক প্রোল্টি খামার ছিল লাভের হারও ভাল ছিল বর্তমানে তা আর নেই, বর্তমান সরকার উন্নয়নশীল সরকার দেশের উন্নয়নে সর্বত্রই কাজ করে যাচ্ছে। তাই এই শিল্পের দিকে নজর রাখলে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। মল্লিক বাড়ীর মো: হেলাল উদ্দিন জানান বর্তমান চলমান এই মন্দা অবস্থা অব্যাহত থাকলে অনেকেই এই প্রোল্টি ব্যবসা থেকে মখু ফিরিয়ে নিবেন বলে মন্তব্য করে এসব কথা বলেন।