নালিতাবাড়ীতে দুইদিনব্যাপি ফাতেমা রাণীর র্তীথ উৎসব

0
140

শেষ সুখন, নকলা(শেরপুর) ।। শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ীর বারোমারীতে ২৫অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) থেকে দুইদিন ব্যাপী খ্রীষ্টান ধর্মাবলম্বীদের শুরু হওয়া ২১তম তীর্থ উৎসব ২৭ অক্টোবর শুক্রবার বিকেলে শেষ হয়েছে। ‘ত্যাগ, সেবা ও প্রেমের রাণী ফাতেমা রাণী, মা মারিয়া’ এই মূল প্রতিপাদ্য বিষয়কে ধারন করে এবছর ওই ফাতেমা রানীর তীর্থস্থলে ২১তম তীর্থ উৎসব পালনকরা হয়েছে।। এ উৎসবে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে খ্রীষ্টান ধর্মাবলম্বী ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ছিল উপচে পড়া ভীড়। বৃহস্পতিবার দুপুরে পাপ স্বীকারের মধ্য দিয়ে তীর্থ উৎসবের শুভসূচনা হয়।

তীর্থ উৎসব  কর্মসূচির অংশ হিসেবে পাপ মুক্তির আশায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে আটটায় খ্রিষ্টভক্তদের প্রজ্জলিত মোমবাতি হাতে আলোর মিছিল বের হয়। তাছাড়া গীতি আলেখ্য ও নিশি জাগরণ ছিল কর্মসূচির উল্লেখ্যযোগ্য বিষয়। শুক্রবার জীবন্ত ক্রুশের পথ ও মহা খ্রিষ্টযাগের মধ্য দিয়ে দুই দিনব্যাপি ওই তীর্থ উৎসবের সমাপ্তি হয়। এবারের তীর্থ উৎসবে বাংলাদেশের প্রধান খ্রিষ্ট ধর্মগুরু কার্ডিনাল পেট্রিক ডি রোজারিও সিএসসি প্রধান বক্তা হিসেবে এবং সহযোগি বক্তা হিসেবে ময়মনসিংহ খ্রিষ্টধর্ম প্রদেশের বিশপ পনেন পৌল কুবি সিএসসি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুর রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বিল্লাল হোসেন জানান, এবারের তীর্থ উৎসবে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। তীর্থোৎসবে আসা ভক্তরা যেন শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘে তাদের ধর্মীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারেন, সেজন্য পুলিশ, বিজিবি, ব্যাটালিয়ান, আনসার সহ সাদা পোশাকে বিভিন্ন নিরাপত্তা কর্মীর সমন্বয়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল বলে জানাগেছে। এই উৎসব যথাযথ মর্যাদায় ও নির্বিঘ্নে পালনের জন্য ৩৮০ জন পুলিশ সদস্যকে নিয়োজিত রাখা হয়েছিল। তাছাড়া নিরাপত্তা কর্মীর পাশাপাশি সার্বক্ষনিক সিসি টিভি ক্যামেরা দ্বারা সার্বিক ব্যবস্থা মনিটরিং করা হয়েছে।