ভৈরবে মেঘনায় লাখো মানুষের ভিরে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত

0
100

মিলাদ হোসেন অপু,ভৈরব:
উৎসবমূখর পরিবেশে ভৈরবে ৭ম নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। লাখো মানুষের ভিরে আজ শনিবার বিকাল ৩টায় ভৈরবের মেঘনা নদীর ত্রিবেণী সেতু বন্ধনস্থলে বাঙালী সংস্কৃতির ঐতিহ্যমন্ডিত মেঘনার জলক্রীড়ায় জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। নৌকা বাইচ উদযাপন কমিটির আয়োজনে ভৈরব পৌরসভার তত্বাবধানে এই নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নৌকা বাইচ উদযাপন কমিটির আহবায়ক ও পৌর মেয়র বীরমুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য,বিসিবি ও এসিসি‘র সভাপতি আলহাজ নাজমূল হাসান পাপন।

নৌকা বাইচ উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব হাজী সেলিম খানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত সাদমীন, ভৈরব উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনিসুজ্জামান, ভৈরব-কুলিয়ারচর জোন সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম, ভৈরব থানা অফিসার ইনচার্জ মো. মোখলেছুর রহমান, ভৈরব থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) বাহালুল খান বাহার, কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মির্জা মো. সুলায়মান, ভৈরব উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সেন্টু, সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী সিরাজ উদ্দিন, এলিন ফুড প্রোডাক্টস্ লি. এর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক (সিআইপি), পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি এস.এম বাকী বিল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আতিক আহমেদ সৌরভ, প্রেসক্লাব সভাপতি জাকির হোসেন কাজল, দৈনিক গৃহকোণ সম্পাদক আলহাজ্ব এম এ লতিফ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আব্দুল হেকিম রায়হান প্রমুখ।

এদিকে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এই ভিড় বাড়তে থাকে। প্রতিযোগিতা দেখতে নদীর পাড়ে নেমে ছিল লাখো মানুষের ঢল। এ সময় মাঝিদের বইঠার ছলাৎ ছলাৎ আর মাল্লাদের কোরাস ‘হেঁইও… রে.. হেঁইও’ সব ছাপিয়ে ভেসে আসে মেঘনা নদীর দুই পাড়ে লাখো মানুষের হর্ষধ্বনি।

নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় ১১টি নৌকা ৩টি ধাপে অংশগ্রহণ করে। তিন পর্বের প্রতিযোগিতায় ৩টি নৌকাকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঘোষণা করে সর্বশেষ ফাইনাল প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করতে হয়। পরে চূড়ান্ত পর্বে প্রথম স্থান অধিকারী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার চান মিয়া মাঝির নৌকা বিজয়ী হয়। বিজয়ী দলকে একটি ষাঁড় গরু পুরুস্কার হিসেবে তুলে দেয়া হয়। অংশগ্রহণকারী সকল নৌকা প্রতিযোগিদের শান্তনা পুরস্কার দেয়া হয়।