প্রক্টরিয়াল বডির সিদ্ধান্তে ইবি শিক্ষার্থীদের সন্তোষ

0
68

আল কাওছার ইমন, ইবিঃ   ইসলামীবিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দিনে দিনে অপকর্ম বেড়েই চলছে। সন্ধ্যাহতে না হতেই ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে কপত-কপতির মেলাবসে। শুধু গল্প বা আড্ডার মাধ্যমে সিমাবদ্ধ থাকে না। যারফল¯্রুতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন কড়া নজড়দারি।

আর এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষ্থর্াীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখাযায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থীজাইদুল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির এমনসিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই। তবে প্রতিনিয়তই দেখাযায় শিক্ষার্থীদের এহেন আচারণের ফলে ব্যাপক নৈতিক স্ফলন হচ্ছে।যার কারণে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িয়ে যাচ্ছে।

প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্ত খুবই সন্তোষ জনক।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রক্টর প্রফেসর ড.মাহবুবর রহমানের একটি স্টাটাস ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। তারস্টাটাসটি এখন অবদি ৬শত-এর অধিক লাইক এবং শতাধিককমেন্ট লক্ষ করা যায়।

স্টাটাস টি হল- ‘রাতে মেয়েদের হল প্রবেশের নির্ধারিত সময়েরপর ক্যাম্পাসে অবস্থান করেও হলে প্রবেশ না করে কারা বাজার টিপেরগাড়ীর অপেক্ষায় থাকেন! উক্ত সময়ের গাড়ীগুলো মেইনগেট হতেহলগেট পর্যন্ত কোন মেয়েকে না উঠানোর জন্য পরিবহন সংশ্লিষ্টকর্মকর্তাগনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।’

তার স্টাটাসে মেহেদি হাসান সুমন নামের এক শিক্ষার্থীকমেন্ট করে বলেন, ‘সময়োপযোগী এবং সাহসী সিদ্ধান্ত।অশ্লীলতার সাক্ষী আমি নিজেও। আন্তর্জাতিকীকরণ মানেঅশ্লীলতাকে প্রশ্রয় দেয়া নয়। বাংলাদেশ ফ্রি সেক্সের দেশ নয়, আমি সিওর যদি কারও বিয়ে করার ইচ্ছা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাধা দিবে না। স্যার শুধু অবৈধ কাজ বন্ধ করার বৈধ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ক্যাম্পাসের সবার নিজের ভালো-মন্দ বোঝারজ্ঞান থাকলে কেন অনেকে গাঁজা ——খায়, তাদের কোন ভালোরজন্য???? স্যারের এই সিদ্ধান্তের কারণে যদি কেউ নিজেকেসবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ মনে করে থাকে তাহলে কথা দিচ্ছি এইসিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে তারাই বেশি লাভবান হবে এবং সেটাতারা পরে বুঝতে পারবে’আরমান রেজা জয় নামে আরেক শিক্ষার্থী কমেন্টে বলেন,‘সুযোগের অসাধু ব্যবহার রুখতে প্রশংসনীয় পদক্ষেপ। ✌ধন্যবাদ স্যার।’

গত ৬মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬জন শিক্ষার্থীদের আতœহুতি, যা বিশ্ববিদ্যালয়কে এখন ভাবিয়ে তুলেছে। অনেকে মনে করছে নতুনশিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সাথে সাথে প্রেমেরনামে নিজের আত্মসম্মান বলি দিচ্ছে। যার ফলে শিক্ষার্থীরা আত্মহুতি নামক আত্মহত্যার ব্যধিতে ভূগছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, রাতের বেলা প্রায়প্রতিনিয়ত কুষ্টিয়া থেকে ক্যাম্পাসে আগত দ্বিতল বাসে দেখাযায়, আপত্তিকর পরিবেশ। যেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক চলাফেরা ব্যাহত হচ্ছে। একদিন আমি তার প্রতিবাদকরলে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে আমাকে হেনস্তা করা হয়। তারপর থেকেআমি আর দ্বিতল বাসে যাতায়াত করি না।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আরেক শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন সিদ্ধান্ত সত্যিই আশানুরুপ। তবে এক্ষেত্রে বাস চালকদের আরও সজাগ থাকতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান বলেন,সামগ্রিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে এমন সিদ্ধান্তনেয়া হয়েছে। আশাকরি এবিষয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আমাদেরসহযোগীতা করবে।