বাঙালী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব কালীপূজা

0
74

নকুল দেবনাথ (নান্টু), মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি:: বাঙালী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব কালীপূজা ও দীপাবলি উৎসব ৬ নভেম্বর মঙ্গলবার গভীর রাতে শক্তিরূপিনী শ্যামা মাতৃজ্ঞানরূপে মন্দিরে মন্দিরে মায়ের পূজার্চনা অনুষ্ঠিত হয়।  ৭ নভেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় ঘরে ঘরে প্রদীপ জ্বালানোর মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো দীপাবলি উৎসব। সরজমিনে দেখা যায়, শ্রীমঙ্গল রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম, সার্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গাবাড়ি, শ্রীশ্রী শ্রীমঙ্গলেশ্বরী কালী মন্দির, শ্রীশ্রী বাড়োয়াড়ী  কালী মন্দির, রাজরাজেশ্বরী কালী মন্দির, ধানসিঁড়ি আ/ আবাসিক এলাকা, সবুজবাগ যুব সংঘ, লালবাগ আ/এ, সহ শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন মণ্ডপ ও মন্দিরে শ্যামা পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, শ্রীমঙ্গল পৌর শাখার দপ্তর সম্পাদক নকুল দেবনাথ (নান্টু)  বলেন, মা আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল / সকলই ফুরায়ে যায় মা / জনমের সাধ ডাকি গো মা তোরে / কোলে তুলে নিতে আয় মা / সকলই ফুরায়ে যায় মা। পান্না লাল ভট্টাটার্যের দরদী গলায় অতুল কৃষ্ণ মিত্রের বিখ্যাত এই শ্যামা সংগীতের সুর যখন ভেসে আসে মন্ডপ থেকে তখন শ্যামা মায়ের আরাধনায় তার সন্তানদের মনে অন্যরকম এক আবেগের দোলা বয়ে যায়। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, ২নং ভূনবীর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি অশোক দেব বলেন, দেবী কালী শ্যামা নামেও সমধিক পরিচিত। তাই এই পূজাকে শ্যামাপূজাও বলা হয়।

ঘরে বা মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত কালীপ্রতিমার নিত্যপূজা হয়ে থাকে। তবে কার্ত্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে অনুষ্ঠিত সাংবাৎসরিক দীপান্বিতা কালীপূজা বিশেষ জনপ্রিয়।বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, শ্রীমঙ্গল পৌর শাখার সভাপতি সনজয় রায় রাজু বলেন, শ্রীশ্রী শ্যামাপূজাকে কেন্দ্র করে পূর্বে বহু আতশবাজি পোড়ানো হলেও এবার সামনে নির্বাচন থাকায়, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন নিরাপত্তার কথা ভেবে তা না পোড়ানোর জন্য বলা হয়। তাই এবার শ্রীমঙ্গলেও কোন আতশবাজি না পোড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদক সুশীল শীল বলেন, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় এবার প্রায় দুই শতাধিক মণ্ডপে কালীপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কমিটির নেতারা শ্যামাপূজা ও দীপাবলী উৎসবে সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সার্বিক সহযোগিতা পেয়েছেন।