জাতীয় পার্টি চিটিং করলে স্বতন্ত্র নির্বাচন করব

0
241

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত আশরাফুল আলম সাঈদ ওরফে হিরো আলম।

২৭ নভেম্বর, সোমবার রাত সোয়া ৮টার দিকে  বিষয়টি জানিয়েছেন তিনি।
জাতীয় পার্টি (জাপা) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন কি না, না পেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন কি না, এমন সব প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের খবর ভালো। নির্বাচনে ১০০ বার (অবশ্যই) অংশ নিব। জাতীয় পার্টি চিটিং করলে স্বতন্ত্র নির্বাচন করব।’

তিনি বলেন, ‘আমি হিরো আলম কখনো পিছপা হই নাই। আমার জীবনে ব্যর্থ বলে শব্দ নাই। দলীয়ভাবে এখনো মনোনয়ন পাই নাই। আমি স্বতন্ত্রভাবে নমিনেশন জমা দিচ্ছি।’
দলীয়ভাবে মনোনয়নের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের লিডার একেক সময় একেক কথা কয়। একবার ৩০০ আসনের কথা কয়, একবার ২০০ কয়, আবার মহাজোটের কথা কয়। কী করছে বুঝতে পারছি না।’
তিনি বলেন, ‘এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছি স্বতন্ত্রভাবে আইগাব। বগুড়া-৪ থেকে মনোনয়ন জমা দিচ্ছি। আগামীকাল (বুধবার) নমিনেশন জমা দিমু। লোকজন নিয়ে কালকে মনোনয়নপত্র জমা দিমু। মনোনয়নপত্র রেডি করে রাখছি। সব রেডি, জমা কনফার্ম।’
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের জন্য জাতীয় পার্টির (জাপা) মনোনয়নপত্র কেনেন হিরো আলম। দল থেকে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।
২৪ নভেম্বর, শনিবার মহাজোটের শরিক হিসেবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬০ আসন চেয়ে আওয়ামী লীগের কাছে তালিকা পাঠায় জাতীয় পার্টি (জাপা) । ওই তালিকায় বগুড়া-২ ও বগুড়া-৬ আসনে নিজেদের প্রার্থীর নাম জানিয়েছে দলটি। কিন্তু বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনটি তাদের তালিকায় ছিল না।
গত ১২ নভেম্বর বিকেলে ঢাকায় জাতীয় পার্টির প্রধান কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র কেনেন হিরো আলম। ওই সময় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদেরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
হিরো আলমের মনোনয়নপত্র কেনার বিষয়টি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আলোচিত-সমালোচিত হয়। তাকে ডাকা হয় বেসরকারি কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলের আলোচনা অনুষ্ঠানে।
বেসরকারি একাত্তর টিভির একটি অনুষ্ঠানে হিরো আলমকে করা উপস্থাপকের প্রশ্ন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তর্ক-বির্তক হয়। নির্বাচনে প্রার্থিতার জন্য হিরো আলম যোগ্য কি না, এমন প্রশ্নকে কেউ কেউ বর্ণবাদী আচরণ হিসেবে আখ্যা দেন।