গরু চোর যুবলীগ নেতা স্বীকার করলেন আদালতে

0
69

 

 

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার আলোচিত গরু চুরির ঘটনায় ধরা খেয়েছে এক যুবলীগ নেতা। পরে গরু চুরির দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়ে বলেছে, হ্যা আমি গরু চুরি করেছি। গরু চোর সিন্টিকেটের আমি সদস্য। একই রাতে তিনটি বাড়িতে চুরি করা গরু বিক্রির পর টাকার ভাগ পেয়েছি।

 

শনিবার (১ ডিসেম্বর) বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ বিল্লাল হোসাইন এর নিকট ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে যুবলীগ নেতা রাজু আহমেদ উজ্জল (৩৩)। এর আগে শুক্রবার উপজেলার রনবাঘা বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সে নন্দীগ্রাম সদর ইউনিয়নের ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ও তেঘরী গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, গরু চোর সিন্ডিকেটের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করে স্থানীয় যুবলীগ নেতা সহ ৬-৭ জনের নাম প্রকাশ করে গত বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর) বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বগুড়ার বিচারক খালিদ হাসান খান এর নিকট ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয় ফারুক হোসেন (৩২) নামের কুখ্যাত চোর। সে সদর ইউনিয়নের তেঘরী গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। আলোচিত গরু চোর সিন্ডিকেটের তথ্য ফাঁসের পর কুখ্যাত চোর ফারুকের দেয়া জবানবন্দীতে উঠে আসা যুবলীগ নেতা রাজু আহমেদ উজ্জলকে গ্রেফতার করা হয়।

 

সোমবার (৩ ডিসেম্বর) মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা নন্দীগ্রাম থানার এসআই আনিছুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গত ২৭ এপ্রিল একরাতে উপজেলার রনবাঘা বাজার এলাকার মহসীন, মমিন ও কুস্তা গ্রামের তায়েজুলের বাড়িতে ৮টি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। এঘটনায় ২ মে থানায় (মামলা নং ৩) দায়ের হয়।

 

দীর্ঘ তদন্ত শেষে আলোচিত গরু চুরির ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার তথ্য পেয়ে কুখ্যাত চোর ফারুক হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ আদালতের বিচারকের নিকট চুরির দায় স্বীকার করে চোর সিন্ডিকেটের ৬-৭জনের নাম প্রকাশ করে। ফারুকের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে যুবলীগ নেতা উজ্জলকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করা হলে সে নিজেও চুরির দায় স্বীকার করে। গ্রেফতারকৃত দুজনকেই কারাগারে পাঠিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলমান রয়েছে। আসামি গ্রেফতার স্বার্থে অন্য আসামিদের নাম প্রকাশ করেননি থানার এসআই আনিছুর।