ধামরাইয়ে ভাপা পিঠা খেয়ে ১৩ জন হাসপাতালে

0
101

 

মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ হাবিব, স্টাফ রিপোর্টারঃ

শীতকালে ভাপা পিঠা বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী পিঠা। যা সাধরণত শীত মৌসুমে প্রস্তুত ও খাওয়া হয়। রাস্তাঘাটেও আজকাল ভাপা পিঠা পাওয়া যায়। তবে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির কথা চিন্তা করে  অনেকেই বাইরের খাবার খেতে চান না। নিজ বাড়িতেই স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে ভাপা পিঠা তৈরী করে খেতে পছন্দ করেন।

তবে খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণের যুগে বাসায় তৈরী করা খাবারও অনিরাপদ হয়ে যাচ্ছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা বিষাক্ত  রঙ ও ক্ষতিকারক রাসায়নিক উপকরণ দিয়ে গুঁড় তৈরী করে বাজারে বিক্রি করছে প্রতিনিয়ত। আর এসব গুঁড় সাধারণ মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব গুঁড়ে তৈরীকৃত পিঠা খেয়ে অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি  হচ্ছেন অনেকে। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ঢাকার ধামরাই উপজেলার কাকরান গ্রামে।

গতকাল সোমবার বিকেলে পিঠা খেয়ে একই পরিবারের ১৩ জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে  পড়েছে। তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

এলাকাবাসী  জানায়, গতকাল কাকরান এলাকার  চাঁনমিয়ার বাড়িতে আত্মীয়-স্বজনদের দাওয়াত করে ভাপা পিঠা খাওয়ার আয়োজন করেন। পিঠা খাওয়ার পর থেকে পরিবারের সকলের পেট ব্যথা, পাতলা পায়খানা ও বমি শুরু হয়।  পর্যায়ক্রমে অসুস্থ হয়ে পড়ে চান মিয়া (৭০), তার স্ত্রী, মেয়ে নুরজাহান (৪০), সম্পা (৩০), রিনা (২৪), নাতী বাবু (২৫) সহ ১৩ জন।

প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এর মধ্যে বাবু নামের একজনকে মুমূর্ষু অবস্থায়  প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে কর্তব্যরত চিকিৎসক। স্বজনরা তাকে সাভারের সুপার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে গেলে আইসিইউতে ভর্তি করেন।

খাদ্যে বিষক্রয়া থেকে তাদের এই অবস্থা হয়েছেন বলে ধারণা করেছেন ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ সিরাত আমীন।