ইজতেমার মাঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

0
67

গত ১ ডিসেম্বর ইজতেমার মাঠে ঘটে যাওয়া নৃশংসতারর পর আজ মাঠ পরিদর্শন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

এসময় ইজতেমার মাঠে মাদরাসার ছোট বাচ্চাদের ওপর নির্যাতনের কাহিনী শুনে এবং মাদরাসার ধ্বংসস্তূপ দেখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একপর্যায়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে বলেন, ‘এমন বর্বরতা আমি জীবনেও দেখিনি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় এমপি জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুরের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, নুরুল ইসলাম নুরুসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এসময় তারা ঘুরে ঘুরে ইজতেমা মাঠ, মসজিদ ও মাদরাসায় চালানো ধ্বংসযজ্ঞ দেখেন।

সেদিনের কিছু ফিরিস্তি তুলে ধরেন আহত হওয়া তাবলিগের প্রবীণ মুরুব্বি ড. শিহাবুদ্দীন, মাওলানা কেফায়াতুল্লাহ আজহারী ও আম্বর শাহ জামে মাসজিদের খতীব মাওলানা মাজহারসহ অনেকে!

 

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, তাবলিগে যারা আসে তারা সবাই আল্লাহওয়ালা, আমরা কোনদিন ভাবতে পারিনি এমন কিছু একটা হবে। আমরা পরিপূর্ণ সজাগ ছিলাম, কিন্তু তাদের আক্রমণ ছিলো আমাদের ধারণারও বাইরে।

তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ইজতেমা পর্যন্ত মাঠে ইজতেমা কেন্দ্রিক সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। নির্বাচনের পর মুরুব্বিরা বসে সকলের ঐক্যমতে যেই সিদ্ধান্ত হবে তাই অনুযায়ী ইজতেমা হবে। এসময় তিনি ইজতেমা না হওয়ার বিষয়টিকে নাকচ করে দেন!

ইজতেমার মাঠের মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ আব্দুল করীম জানান, সেদিন বাচ্চারা কোরআন তেলাওয়াত করছিলো। হামলাকারীরা দরজা ভেঙে তাদেরকে কোরআন পাঠরত অবস্থায় বেধড়ক মারপিট শুরু করে, বাচ্চারা এসময় তাদের পায়ে পড়লেও রেহাই মেলেনি কারো।

ডঃ শিহাবুদ্দীন ও মাওলানা মাজহার জানান, আপাতত সবগুজারীর জন্য টিনশেড ও মাদরাসা খুলে দেওয়া হয়েছে। সেখানে মাঠের আমল চালু হবে।

এ পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী ১ ডিসেম্বর সাদপন্থীদের হামলায় আহতদের সংখ্যা ৫ হাজারের কাছাকাছি। তাদের নাম লিস্ট চলছে। অবিলম্বে তা প্রকাশ করা হবে।