পাচারের শিকার । অবশেষে সৌদি আরবের রিয়াদে বন্দী মাগুরার জেলার ২ যুবক ।

0
157

কাশেমুর রহমান, মাগুরাঃ  মানব পাচারের শিকার হয়ে সৌদি আরবের রিয়াদেবন্দী জীবন যাপন করছে মাগুরার ২ যুবক। বন্দী ২ যুবকের নাম জালাল ও বক্কার।তাদের বাড়ি মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার তল্লাবাড়িয়া গ্রামের। বুধবার সংবাদিকদের কাছে ভুক্তভোগীদের পরিবারের সদস্যরা এ অভিযোগকরেছেন।পাচারের শিকার জালাল মোল্যার বাবা দুদু মোল্যা অভিযোগ করেন,তল্লাবাড়িয়া গ্রামের মোকসেদ ফকিরের ছেলে দিলু ফকির ৫ মাস আগে ৫লাখ টাকার চুক্তিতে তার ছেলে জালালকে রিয়াদে নিয়ে যায়। একই সময়ে ৫লাখ টাকার বিনিময়ে রিয়াদে নেয় তল্লাবাড়িয়ার বক্কারকে। কিন্তু রিয়াদেনিয়ে কাজ না দিয়ে তাদেরকে একটি ঘরে বন্দী করে রেখেছে। পাশাপাশিপরিবারের সদস্যদের কাছে আকামার জন্য আরো টাকা দাবি করছে।পাচারের শিকার বক্কার শেখের মেয়ে তন্নী বেগম কাঁদতে কাঁদতেঅভিযোগ করেন, তার বাবার সাথে মাঝে মাঝে ফোনে কথা হচ্ছে। সেখানেতার বাবা খুবই কষ্টের মধ্যে আছেন বলে জানিয়েছেন। প্রায়ই তাকে মারধরকরে বাড়ি থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে যেতে বলা হচ্ছে। অথচ ভাল কাজ পাইয়েদেয়ার কথা বলে দিলু নিজে বাংলাদেশে ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে তাকেরিয়াদে নিয়ে গেছে। এখন আকামার জন্যে অতিরিক্ত দেড় লাখ টাকারপাশাপাশি আরো টাকা দাবী করছে। মোবাইল ফোনে রেকর্ডকৃত জালালের বক্তব্যে জানাযায়, রিয়াদ শহরেরসমুতি হাসপাতালের নিকটবর্তী একটি বাড়িতে জালাল ও বক্কারকেআটকে রেখেছে দিলু ফরিক ও তার লোকজন। মাঝে মধ্যে তাদের মারধর পর্যন্তকরা হচ্ছে। এছাড়া মোবাইলে পরিবারের সদস্যদের কাছে অতিরিক্ত টাকাএনে দেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। পাশাপাশি তাদের পাসপোর্ট ও অন্যান্যকাগজপত্র নিয়ে গেছে। জালাল মোল্যা আরো অভিযোগ করেন, এ বিষয়ে কোন কিছুজিজ্ঞাসা করতে গেলেই তাদেরকে মারধর করছে দিলু ফকির ও অন্যরা। এমনকিঘরের মধ্যে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মেরে অগ্নিকান্ড বলে চালিয়ে দেয়া হবেবলে হুমকি দিচ্ছে।
এদিকে অভিযুক্ত দিলু ফকিরের বাবা মোকছেদ ফকির এ বিষয়ে বলেন,‘জালাল ও বক্কারের পরিবারের সদস্যদের আগ্রহেই বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসারমধ্যমে রিয়াদে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এখন কাজ পেতে একটু বিলম্ব হওয়ায়তাদের পরিবার এসব অভিযোগ তুলছে’।