নিজের বাল্য বিয়ে নিজেয় বন্ধ করল

0
155

নিউজ ডেস্কঃ  নওগাঁর সাপাহার উপজেলায় ভারতীয় সীমান্ত ঘেঁষা প্রত্যন্ত অঞ্চল পাতাড়ী ইউনিয়নের পাতাড়ী ড্রেনপাড়া গ্রামের ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে পড়–য়া এক শিক্ষার্থী১০৯ নম্বারে কল দিয়ে নিজের বিয়ে নিজেই বন্ধ করে এলাকায় এক রেকর্ডসৃষ্টি করেছে।

পাতাড়ী ড্রেনপাড়া গ্রামের মোকলেছুর রহমান ও ফেরদৌসী বেগম এর মেয়ে সৎসাহসী নাম মোর্শেদা খাতুন (১৩)। সেপাতাড়ী ফাজিল মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে পড়া লেখা করে। জানা গেছে, মাদ্রাসা পড়–য়া ওই শিক্ষার্থীর বাবা-মা পাশের গ্রামের একছেলে সাথে তার মেয়ের বিয়ে দেয়ার সকল প্রস্ততি সম্পন্ন করে ১১ডিসেম্বরমঙ্গলবার দিন তারিখ ধায্য করেছিলেন।

বাড়ীতে বিয়ের সকল প্রস্তুতি সম্পন্নহতে দেখে শিক্ষার্থী মোর্শেদা গ্রামে অবস্থিত বে-সরকারী সংগঠনবিএসডিও এবং বিডিও এর শিশু বিকাশ কেন্দ্র ও লোক কেন্দ্রে গিয়ে কেন্দ্রেরম্যানেজারকে কোন কথা না বলে ঘরের দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে এবং দেয়ালেরচার্টে টাঙ্গানো জরুরী ভিত্তিতে কল করার জন্য সরকারী ফোন নম্বরগুলি তারনিজ খাতায় লিখে নিয়ে দৌড়ে বাসায় ফিরে। এর পর সে নিজ ঘরে ঢুকে তার বিয়ে বন্ধের জন্য ১০৯ নম্বারে কল দেয়ার চেষ্টাকরতে থাকে।

ঠিক এ সময়ে তার মা ফেরদৌসী বেগম মেয়ের কল করে বিয়ে বন্ধকরার কৌশল বুঝতে পেরে মেয়ের হাত থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়ে উপর শারীরিকনির্যাতন চালাতে শুরু করেন। নির্যাতনের এক পর্যায়ে সে এই নম্বরকোথায় পেল জানার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকলে শিক্ষার্থী মোর্শেদানম্বারটি তার গ্রামের লোক কেন্দ্রের ম্যানেজার শারমীন আক্তার এর নাম বলেদেয়। এরপর ওই তার বাবা-মা কেন্দ্রের ম্যানেজারের প্রতি চড়াও হয়ে তাকেবিভিন্ন ধরনের হুমকী ধামকী প্রদর্শণ করেন।

তখন লোক কেন্দ্রের ম্যানেজারশারমীন আক্তার প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরের ভয় দেখালে মেয়ের বিয়ে বন্ধ করেদেন মোর্শদের বাবা-মা। মোর্শেদার বুদ্ধি মত্তার জোরে নিজের বিয়ে নিজে বন্ধ করার জন্য এলাকাবাসীওই শিক্ষার্থী মোর্শেদা খাতুনকে ধন্যবাদ জানান। সাপাহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কল্যাণ চৌধুরীর জানান,এ ধরনের সংবাদ তিনি পাননি। পেলে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নিতেন। তবে বিষয়টিক্ষতি দেখবেন বলে জানান।