নাটোরে গৃহবধূকে হত্যার দায়ে স্বামী ও তার সহযোগীর মৃত্যুদন্ডাদেশ

0
337

নাহিদ হোসেন, নাটোর : নাটোরের সিংড়ায় গৃহবধু রেজেনা পারভীন রুপালীকে হত্যারদায়ে স্বামী শাহমীম  হোসেন ও তার সহযোগী বন্ধু রমিজুলআলমের মৃত্যুদন্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে নাটোরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রেজাউলকরিম এই আদেশ দেন। দন্ডাদেশ প্রাপ্ত শাহমীম হোসেনকুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ির নবরাজপুর গ্রামের শাহ জামানেরছেলে এবং রমিজুল আলম একই উপজেলার নূর ইসলামের ছেলে।মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তরা পলাতক রয়েছে। আদালত সূত্র ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের২৫ ডিসেম্বর দুপুরে সিংড়া উপজেলার বাঁশের ব্রীজ এলাকারএকটি ধানের জমিতে কাজ করার সময় সেখানকার শ্রমিকরাজমিতে থাকা খড়ের স্তুপের পাশে একটি মৃতদেহ দেখতে পেয়েপুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ সেখান থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে।লাশ সনাক্তের পর নিহতের পিতা আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে তারজামাই শাহমীম হোসেন ও জামাইয়ের বন্ধু রমিজুল আলমের নামেএবং অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনকে অভিযুক্ত করে সিংড়া থানায় একটিহত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর পুলিশ স্বামী শাহমীমহোসেনকে বগুড়ার ফুলবাড়ী এলাকা থেকে আটক করে এবং অপরআসামী পলাতক থাকে। এরপর অভিযুক্ত শাহমীম হোসেন আদালতথেকে জামিন পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ অভিযুক্তদের মধ্যেশাহমীম হোসেন ও রমিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতেচার্জশীট প্রদান করেন। দীর্ঘ দিন মামলার স্বাক্ষী প্রমানশেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারকরেজাউল করিম আসামীদের মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেন। এ সময়মৃত্যুদন্ডাদেশ প্রাপ্তরা আদালতে উপস্থিত ছিল না। আদালতের রায়ঘোষনার সময় আসামীদ্বয় পলাতক ছিল। এ ব্যাপারে মামলার বাদী নিহত রেজেনা পারভীন রুপালীর বাবাআব্দুর রাজ্জাক বলেন, পারিবারিক কলহে মেয়ে জামাই ও তার বন্ধুমিলে তার মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। তিনি বিচারকের রায়েসন্তুষ্ট হয়েছেন। দ্রুত এ রায় কার্যকর করার দাবী জানান তিনি।