জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সঙ্গে কোন ধরনের সংলাপের প্রয়োজন নেই- ওবায়দুল কাদের

0
541

সাজ্জাদ হোসেন, স্টাফ রিপোর্টারঃ

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সঙ্গে কোন ধরনের সংলাপের সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, বিএনপির সঙ্গে এখন সংলাপের কোন প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, ‘বিএনপি গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আলোচনার প্রস্তাবকে প্রত্যাখান করে সংলাপের ট্রেন মিস করেছে। সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপিকে সংলাপের আমন্ত্রণ জানালেও তারা (বিএনপি) রূঢ় ও অশালীন আচারণ করে তা প্রত্যাখান করেছিলো।
ওবায়দুল কাদের আজ সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ এমপি, জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, আব্দুর রহমান এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, একেএম এনামুল হক শামীম, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, বর্তমানে আমরা খুবই আত্মবিশ্বাসী। আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি মহল দেশে সহিংসতা ও অন্তর্ঘাতমূলক কার্যকলাপের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করতে পারে সে ব্যাপারেও আমরা সচেতন রয়েছি।
তিনি বলেন, বিএনপি ২০০১ সালের মত আগামী নির্বাচনেও জয়লাভ করার জন্য অবাস্তব স্বপ্ন দেখছে। তাদের এ ধরনের দিবা স্বপ্ন কখনো বাস্তবায়িত হবে না।
কাদের বলেন, বিএনপির আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট কোন বক্তব্য নেই। তারা নিজেরাই জানে না তারা কি চায়। কিন্তু এ বিষয়ে আমাদের বক্তব্য পরিষ্কার। আমরা চাই সংবিধান অনুযায়ী আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, সংসদে বিএনপির প্রতিনিধিত্ব না থাকায় সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সরকারেও বিএনপির অংশ নেওয়ার কোন সুযোগ নেই।
আওয়ামী লীগের কার্য নির্বাহী সংসদের বর্ধিত সভার বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, আগামীকাল দলের গুরুত্বপূর্ণ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের নেতা-কর্মীদের আগামী জাতীয় নির্বাচন ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন।