নরসিংদীতে আসছেন মির্জা ফখরুল, বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ!

0
22

 

 

আজ (১৯ ডিসেম্বর) নরসিংদী আসছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম। অথচ নেতাকর্মীরা কিছুই জানেনা।

 

নরসিংদীতে মহাসচিবের আগমনকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা।

 

দলীয় মহাসচিবের পক্ষ থেকে নরসিংদীর নেতা কর্মীদের অবহিত না করা এবং দলের বাহিরের একজন সাবেক বিএনপি নেতার আমন্ত্রনে মহাসচিবের নরসিংদীতে আসার কারনে এ উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় নেতা কর্মীরা এ আগমনকে দলে অনৈক্য সৃষ্টির ষড়যন্ত্র বলে অভিহিত করেছেন।

 

দলীয় নেতা কর্মীরা বলেন, গত ১২ ডিসেম্বর পলাশ উপজেলার চরনগরদীতে সাবেক মন্ত্রী আবদুল মোমেন খান এর মৃত্যু বার্ষিকী পালন করা হয়।

 

জেলা বিএনপির চিনিশপুরস্থ কার্যালয়েও মৃত্যু বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। হাজার হাজার বিএনপি নেতাকর্মী অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। তার পরও কেন দলের বাহিরের একজন ব্যক্তির আমন্ত্র্রনে দলের মহাসচিব অনানুষ্ঠানিকভাবে দলকে অবহিত না করে আসবেন এমন প্রশ্ন তাদের। আওয়ামীলীগের ঘাটি বলে খ্যাত নরসিংদী শহরের বেপারী পাড়ায় মৃত্যুবার্ষীকির অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য গভীর ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়।

 

কিন্তু নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সম্পাদক ও সাবেক এমপি, ডাকসুর সাবেক জিএস খায়রুল কবির খোকন এ ব্যাপারে কিছুই জানেনা বলে উল্লেখ করেছেন।

 

তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপির মহা-সচিব। নরসিংদীতে ওনার আগমন, আমরা কিছুই জানতে পারলাম না। এটা কিসের আলামত। তিনি এব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নরসিংদী জেলা বিএনপির কোনো নেতাই এব্যাপারে অবগত নয়। বাবুল সরকার বর্তমান বিএনপির কোন কমিটিতে নেই। প্রায় ১৫ বছর যাবত সে বিএনপির রাজনীতির বাইরে রয়েছে। তার এলাকাটি আওয়ামীলীগ অধ্যুষিত। আমরা দলের পক্ষ থেকে প্রয়াত নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার মৃত্যু বার্ষিকী পালন করেছি। মহাসচিবের আগমনের বিষয়ে দলীয় নেতা কর্মীরা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করছে আমার কাছে। মহাসচিবের আগমন দলের জন্য অনেক বড় বিষয়।

 

এ ব্যপারে জেলা যুবদলের সভাপতি মহসিন হোসেন বিদ্যুৎ বলেন, দলের নেতা কর্মীরা এ বিষয়টি জানেনা। আমরা দল করছি অথচ দলের বাহিরের একজনের আমন্ত্রনে মহাসচিব আসবে এটা দলের মাঝে অনৈক্য সৃষ্টির কৌশল। আয়োজনকারীরা কোন ফায়দা লুটার চেষ্টা করছে। মহাসচিব আসা দলের নেতাকর্মীদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। ব্যপক আয়োজনের বিষয়। একই কথা বলছেন জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।

 

নরসিংদী জেলা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকির হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে পুলিশ কিছুই জানেনা এবং পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো অনুমতি নেয়া হয়নি। তবে যদি ইন্ডোর প্রোগ্রাম বা ব্যক্তিগত প্রোগ্রাম হয়ে থাকে তবে পুলিশী অনুমতির প্রয়োজন নেই। পলিটিকেল প্রোগ্রাম হলে অবশ্যই পূর্ব অনুমতি লাগবে।