১৫টি গ্রামের মানুষের পারাপারের অবলম্বন একটি বাঁশের সাঁকো

0
25

 

রৌমারী উপজেলায় একটি ব্রিজের অভাবে ১৫টি শিাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ১২ হাজার শিার্থীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। একই সঙ্গে ওই উপজেলার ১৫টি গ্রামের লাধিক মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, রৌমারী টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশে মরাখালে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত ৮০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো রয়েছে। উপজেলা থেকে শৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদ হয়ে বড়াইকান্দি বাজার পর্যন্ত দুই কিলোমিটার জন গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটিতে একটি পাকা সেতু নির্মাণ করার জন্য এলাকাবাসীর দাবি দীর্ঘদিনের হলেও সেখানে স্থানীয় প্রশাসনের নেই কোনো উদ্যোগ। এতে করে যোগাযোগ ব্যবস্থায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পথচারীদের।

 

এ সাঁকো দিয়ে ওকড়াকান্দা, চৎলাকান্দা, বোওয়ালমারী, শৌলমারী, ডাংগুাপাড়াসহ ১৫টি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এবং স্কুল কলেজ ও মাদরাসার শিার্থী প্রতিদিন যাতায়াত করে।

 

ওই এলাকার ডাক্তার রিপন,বাবলু মিয়া, বক্কর আলীসহ আরও অনেকে জানান, রৌমারী টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশেই নরবড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে আমাদের আসা-যাওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। ব্রিজটি কর্তৃপরে নজরে থাকলেও কার্যকরী ভূমিকা রাখছেন না তারা।

 

একাদশ শ্রেণির শিার্থী বৃষ্টি, বলেন, আমরা ঝুঁকিপর্ণ এ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার করছি। তাই আমরা দ্রুত ব্রিজ নির্মাণের জোড় দাবি জানাচ্ছি।

 

রৌমারী টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্য এইচএম হুমায়ুন কবির বলেন, এখানে একটি ব্রিজ ছিল, তা চলতি বছরের বন্যায় ভেঙে গেছে। তারপর থেকে ব্রিজ নির্মানের আর কোন উদ্দ্যোগ নেয়া হয়নি।

 

এ ব্যাপারে কথা হলে রৌমারী উপজেলা প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম বলেন, এবারের ভয়াবহ বন্যায় ব্রিজটি ভেঙ্গে গেছে। বন্যার য়-তির তালিকায় ব্রিজটির নাম অন্তভুক্ত করেন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, খুব দ্রæতই ব্রিজটি কাজ শুরু করা হবে।