জাপা নেতা কায়সারের মৃত্যুদণ্ড আপিলেও বহাল

0
21

 

মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জে নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণের মতো যুদ্ধাপরাধের দায়ে সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের মৃত্যুদণ্ডের যে রায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল দিয়েছিল, সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত রায়েও তা বহাল রয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দেন। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এই সিদ্ধান্তের ফলে জাতীয় পার্টির সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারকে ফাঁসিকাষ্ঠেই যেতে হবে।

 

কায়সারের আপিল আংশিক মঞ্জুর করা হলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিদের মতামতের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে বলেন প্রধান বিচারপতি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আসা এটি নবম মামলা। আজ রায়ের মাধ্যমে এর চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হলো।

 

তার বিরুদ্ধে আনীত ১৪ অভিযোগের সাতটিতে মৃত্যুদণ্ড, পাঁচটিতে যাবজ্জীবন, একটিতে ১০ বছর ও আরেকটি পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আজ আপিল বিভাগ মৃত্যুদণ্ড পাওয়া সাত অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন, বাকি চারটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন।

 

আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মুরাদ রেজা ও মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক, সাঈদা খাতুন ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল তাহমিনা পলি।

 

এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান ও মনুয়ারা বেগম। এ ছাড়াও প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, জেয়াদ আল মালুম, রেজিয়া সুলতানা চমন, ব্যারিস্টার তাপস পাল।

 

অন্যদিকে কায়সারের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন উপস্থিত না থাকলেও, অপর আইনজীবী এস এম মো. শাহজাহান, অ্যাডভোকেট শিশির মোহাম্মদ মনির ও ব্যারিস্টার তানভীর আহমেদ আল আমিন উপস্থিত ছিলেন।

 

এর আগে সৈয়দ কায়সারের দুই ভাই সৈয়দ সেলিম কায়সার ও সৈয়দ শাহজাহান কায়সার উপস্থিত থাকলেও আজ পরিবারের কোন সদস্য উপস্থিত ছিলেন না বলে জানান আইনজীবী এস এম শাহজাহান।